বিনোদনের খবর

বিনোদনের খবর আমার কুষ্টিয়া হতে প্রকাশিত

কলকাতার ছবিতে স্থায়ী হচ্ছেন অপু বিশ্বাস

শাকিব খান ও জয়া আহসানের মতো কলকাতার ছবিতে শক্ত একটা অবস্থান গড়তে যাচ্ছেন ঢালিউডের শীর্ষস্থানীয় চিত্রতারকা অপু বিশ্বাস। এ লক্ষ্যেই কদিন পর পরই কলকাতায় যাচ্ছেন এই অভিনেত্রী। তা ছাড়া চলচ্চিত্রের বিশেষ বিশেষ উৎসবে অংশ নেয়ার আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে তাকে। এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি নতুন সিনেমার বিষয়েও আলাপ-আলোচনা চলছে বলে জানালেন তিনি। তবে এখনই তিনি কোনো ছবির বিষয়ে বিস্তারিত বলতে চাচ্ছেন না। সবকিছু ঠিকঠাক হলেই সবাইকে ঢাকঢোল পিটিয়ে জানান দেবেন মন্তব্য করে অপু বিশ্বাস জানান, 'বাংলাদেশের ঐতিহ্যকে ধারণ করে কলকাতায় চলচ্চিত্র অঙ্গনে পা রেখেছেন বলেও দাবি করেছেন অপু। তিনি মনে করেন, বর্তমানে যেসব বাংলাদেশি অভিনেত্রী কলকাতায় অভিনয় করতে এসে ভারতীয় হয়ে গেছেন তিনি তা হবেন না। তিনি বাংলাদেশি নায়িকা হিসেবেই জনপ্রিয়তা অর্জন করতে চান।

অপু বিশ্বাস বলেন, 'যেসব ছবি নিয়ে কথাবার্তা হচ্ছে, তার বেশির ভাগই অফ ট্র্যাকের গল্প। মূলত কলকাতায় আমার প্রথম ছবি 'শর্টকাট'-এ আমাকে দেখেই এ ধরনের ছবির প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। ছবিটি এখনো মুক্তি পায়নি। মুক্তির আগে ছবিটি দেখে তাদের ধারণা, গতানুগতিক ধারার বাইরের ছবিতেও আমি বেশ ভালো করতে পারব। তবে আমি সব ধরনের চরিত্র ও চলচ্চিত্রেই অভিনয় করতে রাজি আছি, যদি তা মনের মতো ও পছন্দসই হয়। আমি বাংলাদেশে যেভাবে আমার দর্শকদের মাথায় নিয়ে এগিয়ে গেছি, কলকাতার ক্ষেত্রেও ঠিক তাই হবে। আমার বিশ্বাস, আমি এখানেও সেরাই হবো।'

তিনি আরও বলেন, 'বাংলাদেশ এবং কলকাতার মধ্যে এতটা ভাবসূত্র হয়ে গেছে, মনে হয় না বাংলাদেশ-কলকাতা আলাদা। আমরা এক ভাষার মানুষ, এক পরিবেশের মানুষ এবং এক রকমের শিল্পী। কদিন আগে সেখানকার চলচ্চিত্র উৎসবে আমার 'রাজনীতি' ছবিটি প্রদর্শিত হয়। ছবিটি দেখে অনেকেই আমার অভিনয়ের যেভাবে প্রশংসা করেছেন, তাতে আমি অভিভূত। এটা আমার কাছে খুবই সম্মানের। একজন শিল্পী হিসেবে এটাই প্রাপ্য। এভাবেই আমি দুই বাংলার মানুষদের মন জয় করতে চাই।'

তবে অপু বিশ্বাসের এই কলকাতার মিশনকে অন্যভাবেও দেখছেন কেউ কেউ। চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের অভিমত, অপু বিশ্বাসের হাতে এখন খুব একটা কাজ নেই। অনেকটাই বেকার হয়ে আছেন। সম্প্রতি 'শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ-২' ও কলকাতার একটি সিনেমা 'শর্টকাট'-এর কাজ প্রায় শেষ করেছেন। এ কারণেই সেখানকার চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিতে স্থায়ী আসন গড়তে চাচ্ছেন অপু বিশ্বাস।

নায়িকা পরীমনি, খোলামেলা ছবি প্রকাশ

ঢাকাই সিনেমার গ্ল্যামার গার্ল বলা হয় চিত্রনায়িকা পরীমনিকে। ‘স্বপ্নজাল’ সিনেমার পর তাকে আর বড় পর্দায় দেখা যায় নি। হাতে নেই তেমন কোন সিনেমাও। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ কিছু ছবি প্রকাশ করে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন তিনি।

কিছুদিন আগে এই নায়িকা গিয়েছিলেন সমুদ্রস্নানে। ঘুরে বেড়িয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার সুন্দর কিছু স্থানে। সঙ্গে ছিলেন পরীর হবু স্বামী তামিম হাসান। ক্যামেরাবন্দি করেছেন পরীর আনন্দঘন কিছু মুহূর্ত।

সম্প্রতি পরী সেসব ছবি প্রকাশ করেছেন তার ফেসবুকে। এরপর সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আবারও আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। অনেকটা খোলামেলা পোশাকেই ছবি প্রকাশ করেছেন পরীমনি।

পপ গুরু আজম খানের জন্মদিন আজ

 পুরো নাম মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান। সঙ্গীত অঙ্গনে তিনি আজম খান নামেই পরিচিত। ব্যান্ড জগতের মানুষরা বাংলার পপ সঙ্গীতের কিংবদন্তিকে গুরু বলেই সম্বোধন করে থাকেন। এই শিল্পীর জন্মদিন আজ বৃহস্পতিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি।

বাংলাদেশের এই রক গানের জনকের জন্ম ১৯৫০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার আজিমপুর সরকারি কলোনির ১০ নম্বর কোয়ার্টারে। বাবা আফতাবউদ্দিন আহমেদ, মা জোবেদা খাতুন।

বাংলাদেশে স্বাধীনতা পরবর্তী একটি প্রজন্মকে রীতিমতো কাঁপিয়েছেন তিনি। শুধু বাংলাদেশেই নয় গোটা উপ মহাদেশেও আজম খান পেয়েছিলেন অসাধারণ জনপ্রিয়তা। আজম খানকে তাই বলা হয় ‘পপসম্রাট’।

১৯৭১ সালের পর আজম খান ‘উচ্চারণ’ নামে একটি ব্যান্ড প্রতিষ্ঠা করেন। উচ্চারণের গান সঙ্গীত জগতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। সেখানে আজম খানের সাথে তার বন্ধু নিলু আর মনসুর গিটার বাজিয়েছিলেন, সাদেক বাজিয়েছিলেন ড্রাম আর আজম খান প্রধান ভোকাল হিসেবে গান করেন।

১৯৭২ সালে বিটিভিতে একটি গানের অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার মাধ্যমে তাদের গান তরুনদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। সেই অনুষ্ঠানের ‘এতো সুন্দর দুনিয়ায় কিছুই রবে না রে’ ও ‘চার কালেমা সাক্ষী দেবে’ গান দু’টি সরাসরি প্রচার হলো। ব্যাপক প্রশংসা আর তুমুল জনপ্রিয়তা এনে দেয় এ দু’টো গান। দেশজুড়ে পরিচিতি পায় তাদের গান।

১৯৭৪ সালের তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনে আরেকটি অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ (রেললাইনের ঐ বস্তিতে) শিরোনামের গানটি গেয়ে হৈ-চৈ ফেলে দেন।

আজম খানের পাড়ার বন্ধু ছিলেন ফিরোজ সাঁই। পরবর্তীকালে তার মাধ্যমে পরিচিত হন ফকির আলমগীর, ফেরদৌস ওয়াহিদ, পিলু মমতাজের সাথে। এক সাথে বেশ কয়েকটা জনপ্রিয় গান করেন তারা। এরই মধ্যে আরেক বন্ধু ইশতিয়াকের পরামর্শে সৃষ্টি করেন একটি এসিড-রক ঘরানার গান ‘জীবনে কিছু পাবোনা এ হে হে!’ বলা হয়, এটি বাংলা গানের ইতিহাসে- প্রথম হার্ডরক!

ব্যক্তিগত জীবনে সহজ সরল জীবন যাপন করতেন তিনি। আজম খান বাংলাদেশের প্রখ্যাত সুরকার আলম খানের ছোটভাই। ১৯৭১ সালে একজন সক্রিয় মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ঢাকায় সংঘটিত কয়েকটি গেরিলা অভিযানে অংশ নেন আজম খান।

‘পপ সম্রাট আজম খানকে একুশে পদক দেওয়া হোক’ এই দাবি উঠেছিল অনেক দিন আগে থেকেই। প্রয়াত কণ্ঠশিল্পী ও মুক্তিযোদ্ধা আজম খানের ভক্তকুলদের সেই দাবি পূর্ণ হয়েছে। সম্প্রতি মরণোত্তর একুশে পদক পেয়েছেন আজম খান।

এখনো নিজের গাওয়া গানের মাধ্যমে বেঁচে আছেন আজম খান। তার গাওয়া ‘বাংলাদেশ’, ‘রেল লাইনের ঐ বস্তিতে’, ‘ওরে সালেকা, ওরে মালেকা’, ‘আলাল ও দুলাল’, ‘অনামিকা’, ‘অভিমানী’, ‘আসি আসি বলে’ এর মতো অসংখ্য গান এখনো হৃদয়ে দোলা দিয়ে যায়।

মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পেলেন সানাই

 ইন্টারনেটে অপেশাদার এবং অপ্রাসঙ্গিক ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে বিতর্কিত মডেল সানাই মাহবুব সুপ্রভাকে আটকের পর মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। ডিএমপির সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ক্রাইম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) নাজমুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার স্যারের নেতৃত্বে নিরাপদ ইন্টারনেট ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে সানাইকে আমরা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আমাদের অফিসে এনেছিলাম।

সানাই তার ভিডিওগুলোর জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছে এনং সেসব ভিডিও মুছে ফেলতে সম্মত হয়েছে। তিনি বলেন, সে মুচলেকা দিয়েছে যে সে কখনো আর এ ধরনের ভিডিও বানাবে না বা ছড়াবে না। সাইবার নিরাপত্তা ও অপরাধ দমন বিভাগ আর এ হেন কর্মকাণ্ডের ওপর নজর রাখবে। যে তার মুচলেকার বাইরে কিছু করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অন্যান্য অনেকের জন্যও আমাদের এ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

এর আগে, রবিবার তাকে আটকের পর ডিএমপির সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ক্রাইম ইউনিটের সাইবার নিরাপত্তা ও অপরাধ দমন বিভাগে নিয়ে আসা হয়।

সানাইয়ের বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযোগ, টিকটক ও ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে খোলামেলা ও অসামাজিক কথাবার্তা বলে যুব সমাজকে অবক্ষয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছিলেন সানাই।

তার পোস্ট ও বার্তাগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়তো জানিয়ে ওই কর্মকর্তা জানান, সোশ্যাল মিডিয়ায় সানাইয়ের কর্মকাণ্ড দীর্ঘদিন ধরে ডিএমপির সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ক্রাইম ইউনিটে নজরদারিতে ছিল।

ভালবাসা দিবস ও এক লাবনী

ঘড়ির কাটা চারটা ছুঁই ছুঁই। সূর্য্যটা অনেক আগেই মাথার উপর থেকে সরে পশ্চিম আকাশে মেঘের আড়ালে উকিঁ দিচ্ছে, চলছে রোদ আর ছাঁয়ার পালা বদল । দিনটি ছিল ২০০৮ সনের ১৪ ফেব্রুয়ারী । সামনে গড়াই নদী, পাশে রেণউইক বাঁধ। বাঁধটির পিছনে রয়েছে ছোট বড় বিভিন্ন প্রজাতির অসংখ্য গাছ । কোন কোন গাছের নিচে জোরায়-জোরায় যুবক-যুবতি একান্ত আলাপচারিতায় বসে আছে ঘন্টার পর ঘন্টা । সকাল থেকে এখানে প্রেমিক-প্রেমিকাসহ সব ধরনের মানুষের উপস্থিতি অন্যান্য ছুটির দিনের তুলনায় কিছুটা বাড়লেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে মানুষের ঢল নামতে শুরু করে। বিকেল টাকে বিদায় জানাতে সূর্য্যটা যতই পশ্চিম আকাশে নূয়ে পড়ছে সব বয়সী মানুষের ভীড় ততই বাড়তে থাকে। আস্তে আস্তে রেণউইক বাঁধ যেন পরিণত হয় জনসমুদ্রে। এসময় কিছু উশৃঙ্খল ছেলে দাপিয়ে বেড়াতে থাকে বাধের এ মাথা থেকে ওমাথা পর্যন্ত, আর ভালবাসা-ভালবাসা বলে উচচ স্বরে চিৎকার করতে থাকে। এতে উপস্থিত অনেকে বিরক্ত হলেও কেউ কেউ ওদের কাছে থেকে মজা লুঠতে থাকে । 
গোধুলীলগ্নে সূর্য্যটা যখন মুখ লাল করে পশ্চিম আকাশের হারিয়ে যাচ্ছিল সে মুহুর্তে মানুষের ভীড়ে তিল ধারনের জায়গা ছিল না রেণউইক বাঁধ এলাকায় । পরিস্থিতি সামাল দিতে সেখানে ওই সময় কিছু পুলিশ বাঁশি বাজিয়ে সতর্ক করতে থাকে এবং সকলকে সাড়ে ৭ টার পূর্বেই ওই এলাকা থেকে সরে যেতে নির্দেশ দিয়ে প্রচার করতে থাকে । ৭ টা ছুই ছুই এরই মাঝে সূর্য্যটাকে বিদায় জানিয়ে অনেকে ফিরে যেতে শুরু করেছে যে যার গন্তব্যে। কিছু ছবি সংগ্রহ করে আমিও যোগ দিলাম ফিরে যাওয়ার দলে । ফেরার পথেই রেণউইক বাঁধের ঠিক উত্তর পাশে থেকে কেউ যেন করুন সুরে বলে চলেছে স্যার গো একটা ফুল নিন। রজনী গন্ধ্যা-গোলাপ, নিননা একটা ফুল। আনমুনা হয়েই দাঁড়িয়ে গেলাম, কে জানার চেষ্টা ? কিন্তু সূর্য্যটা সন্ধ্যাকে আমন্ত্রন জানিয়ে অনেক আগেই বিদায় নেয়ায় কিছুটা আন্ধকার তখন হাত ছানী দিচ্ছে চারিদিকে । যে কারনে চেহারা টা তেমন বোঝা যাচ্ছিলনা । একটু এগিয়ে দেখার চেষ্টা, দেখা গেল ৮/১০ বছরের এক কিশোরী মুখটি ম্লান করে মিনতির স্বরে বলছেন কথা গুলো। বড় মায়াবী চেহেরা । দলে দলে ফিরে যাওয়া মানুষ গুলো শুনছেন তার কথা আর তাকিয়ে দেখছেন কিন্তু কেউ ফুল কিনছেন না । কেউ ফুল না কেনায় বড় আফসোস করে মিনতির স্বরেই পুরুনো কথাই বলে চলেছে মেয়েটি ।
আরেকটু কিশোরীর কাছে এগুতেই সে আরো আগ্রহ নিয়ে বললো, স্যার ফুল নেবেন নিন না । ফুল বেচা না হলে আমার ছোট বোনটির জন্য খেলনা কেনা হবে, মায়ের জন্য ওষুধ কেনা হবে না, যেন আরো করুন স্বরে জানালো মেয়েটি। বড় মায়াবী চেহারা ওর। কিছু না বলেই মেয়েটির একটি ছবি তুলে নিলাম । করুন চাওনী থেকেই মেয়েটি বললো, আমাগো ছবি দিয়ে কি হয় স্যার ? কোন জবাব না দিয়ে ১০ টাকা কিশোরীর হাতে দিতেই সে বললো নিন স্যার ৫ টা ফুল নিন। ফুল লাগবে না আমার, তোমার ছবি তুললাম তাই টাকা দিলাম। ছবি তুললেন আবার ট্যাকা দিলেন ? একটু থেমে গিয়ে আরো একটু কৌতুহলী হয়ে জিজ্ঞাসা করলাম, তোমার বাসায় আর কে আছে ? মেয়েটি জানালো, কুষ্টিয়া আমলা পাড়ার চরে ৩ বছরের ছোট বোন ও মায়ের সাথে থাকে সে। বাবা রিকসা চালক ২ বছর আগে আরেকটি বিয়ে করে সেই মায়ের কাছেই থাকে এবং তাদের কোন খোঁজ নেয়না । নিরুপায় মা’ এক বাসা বাড়ীতে কাজ করে, বাবা থাকতে সে ব্রাক স্কুলে যেতো কিন্তু বাবা নেই, আর স্কুলে যাওয়া হয়না তার । মা অন্যের বাসা বাড়ীতে কাজ করে তাই ছোট বোনকে নিয়ে ঐ চরের বাসাতেই থাকতে হয় তাকে। ২ দিন হলো মায়ের জ্বর, কাজে যেতে পারিনি, মা বলেছে আজ নাকি ভালবাসার দিন, অনেক ফুল বিক্রি হয়।
সকাল ১০ টার দিকে তাদের এক পরিচিত মানুষের সাথে এসে ৫০ টাকার বাকীতে ফুল নিয়ে শহরের কয়েকটি পার্কে ছাড়াও বেশ কিছু জায়গা ঘুরে সারাদিনে মাত্র ৪৫ টাকা ফুল বিক্রি হয়েছে। কিন্তু ফুলের দোকানের বাকী ৫০ টাকা সে দেবে কোত্থেকে কথাটি বলতে বলতে মেয়েটির চোঁখে পানি এসে যায়। এদিকে সকালে সংগ্রহ করা ফুল সন্ধ্যা হওয়াতে অনেকটা শুকিয়ে গেছে। সারাদিন ঠিকমত নাওয়া খাওয়া না করাতে মেয়েটির মুখটিও শুকিয়ে বেশ মলিন হয়ে গেছে। যে দোকান থেকে বাঁকীতে ফুল নিয়ে এসেছো চিনিয়ে দিতে পারবে ? জিজ্ঞাসা আমার, মাথা নেড়ে হা জানালো মেয়েটি। সাথে নিয়ে নিলাম । 
কুষ্টিয়া শহরের ফুলের দোকান গুলো থানার মোড়েই। রেণউইক বাঁধ থেকে কয়েক মিনিট হাটলেই ফুলের দোকান গুলোর দেখা মিলবে। বড় ক্লান্ত দেখাচ্ছিল মেয়েটিকে তাই রিক্সা নিয়েই রওনা হলাম। পৌঁছানোর আগেই জিজ্ঞাসা করলাম ওষুধের প্রেসক্রিপশন আছে কি, মেয়েটি মাথা নেড়ে হা জানিয়ে বেড় করে দিলো প্রেসক্রিপশনটি। রিকসা থামিয়ে ওষুধের দোকানে প্রেসক্রিপশন দেখিয়ে মাত্র কয়েক টাকার জ্বরের ওষুধ । তা কিনে নিলাম। ওষুধের পেকেট টি মেয়েটির দিকে এগিয়ে ধরতেই তার সারাদিনের উপার্জন কয়েকটি টাকা এগিয়ে দিলো আমার দিকে। ইশায়ায় জানালাম লাগবে না, এ সময় হাফছেড়েই যেন ক্লান্তির নিঃশ্বাস নিলো মেয়েটি। ফুলের দোকানের দিকে এগিয়ে চল্লাম আর বললাম দোকান টি কোথায় ? জিজ্ঞাসা করা মাত্রই সে আঙ্গুল উচিয়ে দেখলো দোকানটি ।
ফুলের দোকান মালিক আমার পরিচিত তাই বেশী বোঝানোর প্রয়োজন পরেনি। দোকানের বকেয়া পুরো ৫০ টাকা হাতে দিতেই মাত্র ২০ টাকা আর ফুল গুলো রেখে দেয় । ৩৫ টাকা মেয়েটির হাতে দিয়ে আরও ২ টি গোলাপ মেয়েটির হাতে দিয়ে বললাম একটা তোমার আর এক টা ছোট বোনকে দেবে কেমন ? কথা টা শুনে মুহুর্তের মধ্যে কিশোরীর মলিন মুখটি ফুটে উঠে এক উজ্জ্বল হাঁসিতে। কি নাম জানতে চাইলে বলে আমার নাম লাবনী আবার একটু হাঁসি । ভালবাসা দিবস আসলেই সেই হাসি মুখটি ভেসে উঠে দুচোঁখে ।
ক্লান্ত শরীরে অফিসে ফিরে কিশোরী লাবনী কে নিয়ে একটি প্রতিবেদন লেখার চেষ্টা । সম্পাদক মনজুর এহসান চৌধুরী, মিঠু ভাই বললেন এই প্রতিবেদনটি হবে ‘আন্দোলনের বাজার' পত্রিকার আগামী কালের প্রধান শিরোনাম । মেয়েটির ছবি আছে তো জিজ্ঞাসা সম্পাদকের ? বললাম বস আন্ধকারে ছবিটি অস্পষ্ট হয়েছে। সমস্যা নেই এটাই হবে ছবির নতুন ষ্টাইল। পরের দিন পত্রিকায় “ভালবাসা দিবসে কিশোরী লাবনী” শিরোনামে প্রতিবেদনটি ছপা হলে সকালে ঘুম ভাঙ্গে ভক্ত ও সহকর্মীদের ফোনে, লেখাটির জন্য শুভেচ্ছা জানান অনেকেই। এক এক করে কেটে গেছে অনেক গুলো বছর। ১৪ ফেব্রুয়ারি এই দিনটি এলে বড় মনে পরে সেই কিশোরীর কথা । খুব জানতে ইচ্ছে করে কেমন আছে সেই কিশোরী লাবনী ।

শুটিং করতে গিয়ে আহত ফেরদৌস-পূর্ণিমা

‘গাঙচিল’ ছবির শুটিং করতে গিয়ে আহত হয়েছেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস ও চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা। নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে আজ রবিবার সকাল ১০টা নাগাদ এ দুর্ঘটনা ঘটে। পূর্ণিমা মোটর সাইকেল চালিয়ে শট দিচ্ছিলেন। ফেরদৌস পেছনে বসা ছিলেন। চলন্ত অবস্থায় মোটর সাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুজনেই পড়ে যান। তারা শরীরে বিভিন্ন স্থানে আঘাত পেয়েছেন।

‘গাঙচিল’ ছবির পরিচালক নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূল গণমাধ্যমকে জানান, প্রাথমিকভাবে ফেরদৌস-পূর্ণিমাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বিকালে তাদেরকে নোয়াখালী সদরে নেওয়া হবে। শরীরের আঘাত কতটা গুরুতর সেটা জানার জন্য দুজনকে এক্স-রে করা হবে।

‘গাঙচিল’ ছবিতে আরও অভিনয় করছেন আনিসুর রহমান মিলন, তারিক আনাম খান এবং বিশেষ চরিত্রে কলকাতার অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।

অভিষেক হচ্ছে নবাগতা চিত্রনায়িকা মৌ খানের

চলচ্চিত্রে অভিষেক হচ্ছে নবাগতা চিত্রনায়িকা মৌ খান-এর। তার অভিনীত ‘প্রতিশোধের আগুন’ সিনেমাটি সম্প্রতি সেন্সর বোর্ড থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। সিনেমাটির প্রযোজনা করেছেন কাজী মো: ইসলাম মিয়া এবং পরিচালনা করেছেন মোহাম্মদ আসলাম।

মৌ খান জানান, এ মাসেই সিনেমাটি মুক্তি পাবে। প্রথমবারের মতো চলচ্চিত্রে অভিষেক হওয়া নিয়ে তিনি সিনেমা সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, মৌ খান মডেল হিসেবে শোবিজে কাজ শুরু করলেও বর্তমানে চলচ্চিত্রে নিয়মিত অভিনয় করছেন। ইতোমধ্যে তিনটি সিনেমার কাজ শেষ করেছেন। এগুলোর মধ্যে প্রতিশোধের আগুন ছাড়াও রয়েছে সুজন বড়ুয়ার ‘বান্ধব’ এবং শফিক হাসানের পরিচালনায় ‘বাহাদুরি’। সিনেমাগুলো এখন মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

একুশে পদকের পর এমপি হচ্ছেন সুবর্ণা

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনে ৪১ জনকে মনোনয়ন দিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। শুক্রবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে দলের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভায় এ মনোনয়ন দেয়া হয়।

পরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এই ৪১ জনের নাম ঘোষণা করেন। এতে জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তফার নাম রয়েছে। ফলে তিনি ঢাকা থেকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে আওয়ামী লীগের এমপি হচ্ছেন, এটা নিশ্চিত।

অভিনয় জগতে বিশেষ অবদান রাখায় সুবর্ণা মুস্তাফা এ বছরের একুশে পদকেও ভূষিত হয়েছেন। গত ৬ ফেব্রুয়ারি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে, তাতে ২১ বিশিষ্ট ব্যক্তির মধ্যে রয়েছেন এই গুণী অভিনেত্রী।

প্রখ্যাত অভিনেতা গোলাম মুস্তফার মেয়ে সুবর্ণা মুস্তাফা ১৯৫৯ সালের ২ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

বাংলাদেশের নাট্যজগতে সুবর্ণা মুস্তফা এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছেন। আশির দশকে তিনি ছিলেন দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় টিভি অভিনেত্রী। বিশেষ করে আফজাল হোসেন এবং হুমায়ুন ফরীদির সঙ্গে তার জুটি ব্যাপক দর্শক সমাদর লাভ করে।

তিনি হুমায়ূন আহমেদের লেখা কোথাও কেউ নেই ও আজ রবিবার টেলিভিশন ধারাবাহিকে অভিনয় করে খ্যাতি অর্জন করেন। টেলিভিশন নাটকের পাশাপাশি তিনি ২২ বছর মঞ্চে অভিনয় করেন। সুবর্ণা মঞ্চ ছাড়াও চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন।

১৯৮০ সালে সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকী পরিচালিত ঘুড্ডি সিনেমার মাধ্যমে সুবর্ণার চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়। তবে, তিনি নিয়মিত গড়পড়তা চলচ্চিত্রে অভিনয় করেননি। কিছু জীবন ঘনিষ্ঠ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। মূলধারার কিছু সিনেমাতেও তার উপস্থিতি মিলেছে।

১৯৮৩ সালে নতুন বউ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে সুবর্ণা শ্রেষ্ঠ সহ-অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় পুরস্কার পান। তার অভিনীত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রসমূহ হল ঘুড্ডি, নয়নের আলো, পালাবি কোথায় ও গহীন বালুচর।

দর্শকদের মাঝে রয়েছে সুবর্ণার ঈর্ষণীয় জনপ্রিয়তা। চলচ্চিত্র বোদ্ধা এই জনপ্রিয়তার পেছনে সুবর্ণার চেহারায় বাঙালি রমনীর শাশ্বত সৌন্দর্যের স্পষ্ট মৌন রূপ এবং স্মিত যৌন আবেদন ও রহস্যময় ঘরানার সৌন্দর্য মিলে সামগ্রিক সৌন্দর্যের প্রায় ক্ল্যাসিক রূপকে সামনে এনেছেন।

ব্যক্তি জীবনে দীর্ঘদিন প্রেমের পর শক্তিমান অভিনেতা হুমায়ুন ফরীদিকে বিয়ে করেন। পরে সে বিয়ের বিচ্ছেদ হলে তার চেয়ে কম বয়সী তরুণ নির্মাতা বদরুল আনাম সৌদকে জীবন সঙ্গী বেছে নেন সুবর্ণা মুস্তফা।

নাটক ‘আমি তুম এবং বিয়ে’

ফুয়াদ সদ্য ৩২ পার করা ফুয়াদ পেশায় একন শিক্ষক। বাবা-মায়ের সাথে উত্তরায় নিজেদের বাড়িতেই থাকে। জীবনটাই তার কেটে যাচ্ছে পড়তে আর পড়াতে। প্রেমে পড়ার সৌভাগ্য তার হয়নি কখনো। অবশ্য এ নিয়ে তার কোন আক্ষেপ নেই। তবে আক্ষেপ যা তা তার বাবা-মায়ের। ছেলেকে কখন বিয়ে দেবে তারা। এতদিন বিয়ের বিষয় নিয়ে তাকে তার মাথাব্যাথা না থাকলেও দুদিন আগে অসুস্থ মায়ের আবদার আর যে ফেলতে পারছে না। তাইতো বিয়ের জন্য রাজি হয়। কিন্তুু কোন মেয়েকে সে বিয়ে করবে তা কিন্তুু সে মোটেও জানে না। এরই মধ্যে এক শীতের সন্ধ্যায় ভার্সিটির সামনে থেকেই কিডন্যাপ হয় সে। তাকে কিডন্যাপ করে এনে রাখা হয় একটি গ্যারেজে। গ্যারেজে ঢোকানোর পরই একটি বাইক এসে দাড়ায় ফুয়াদের সামনে। মটর বাইক থেকে জিন্স, টি-শার্ট, জুতো, স্পোর্টস ওয়াচে সজ্জিত তিশা নামে একটি মেয়ে নেমে দাড়ায় ফুয়াদের সামনে। তিশা ফুয়াদের কাছে জানতে চায়, কেন সে জোর করে বিয়ে করতে চায় তার তিশার খালাতো বোনকে। ফুয়াদ আঁতকে ওঠে…। সে তো এমন কোন মেয়েকেই চেনে না যার সাথে তার বিয়ে হওয়ার কথা। এমনই এক গল্প নিয়ে এটিএন বাংলায় ৮ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার, রাত ৯টায় প্রচার হবে আর এফ এল প্লাস্টিক নিবেদিত সময় অসময়ের গল্প নিয়ে নাটক ‘আমি তুমি এবং বিয়ে’। মুনতাহা বৃত্তার রচনা এবং এল আর সোহেল এর পরিচালনায় নাটকটিতে অভিনয় করেছেন গোলাম কিবরিয়া তানভির, সানজিদা ইফতি ,পীরজাদা শহীদুল, আজম খান প্রমুখ।

অভিনেত্রী শিল্পা শিন্ডে রাজনীতিতে

‘বিগ বস-১১’ এর প্রতিযোগিতায় বিজয়ী অভিনেত্রী শিল্পা শিন্ডে রাজনীতিতে এসেছেন। সিরিয়ালের পাশাপাশি তেলেগু ছবি করে তুমুল জনপ্রিয়তা পাওয়া এ অভিনেত্রী ভারতীয় কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। আগামী লোকসভা নির্বাচনে তিনি মুম্বাই থেকে কংগ্রেসের ব্যানারে ভোট করবেন বলে শোনা যাচ্ছে।১৯৯৯ সালে টিভি সিরিয়ালের মাধ্যমে অভিনয়ে হাতেখড়ি শিল্পা শিন্ডের। ‘ভাবি জি ঘর পর হ্যায়’ সিরিয়ালে অসাধারণ অভিনয়ের সুবাদে ব্যাপক পরিচিতি পান এ সুদর্শনী। তবে জনপ্রিয়তার শিখরে উঠেন ‘বিগ বস-১১’ এর প্রতিযোগী হিসেবে। শো চলাকালে সালমান খানের প্রিয়পাত্রী হয়ে ওঠেন। দর্শকদের ভোটে শেষ পর্যন্ত বিজয়ীও হন। পরাজিত করেন আরেক জনপ্রিয় টেলিতারকা হিনা খানকে।এর পর থেকে শিল্পা শিন্ডের আর পিছু তাকাতে হয়নি। ক্যারিয়ারে লেগেছে শুধুই সাফল্যের পালক। একের পর এক টিভি সিরিয়ালের পাশাপাশি তেলেগু ছবিতেও অভিনয়ের অফার পেয়ে যান। আইটেম গার্ল হিসেবে দেখা গেছে হিন্দি ছবি ‘পটেল কি পঞ্জাবি শাদি’তেও। সালমান খানের সাবেক প্রেমিকা ইউলিয়ার অভিষেক ছবিতেও খুব শিগগির দেখা যাবে এ অভিনেত্রীকে।

এ অভিনেত্রী এখন অভিনয়ের চেয়ে রাজনীতিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। ভারতের গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার মুম্বাইয়ের একটি অনুষ্ঠানে কংগ্রেসের সদস্যপদ গ্রহণ করেন শিল্পা। এ সময় তাকে স্বাগত জানান মহারাষ্ট্র কংগ্রেসের প্রধান সঞ্জয় নিরুপম।জানা গেছে, লোকসভা নির্বাচনে উত্তর মুম্বাই থেকে শিল্পা শিন্ডে দাঁড়াতে পারেন। তবে এ নিয়ে মুখ খোলেননি টিভি সিরিয়ালের জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী।তবে নির্বাচন করা নিয়ে মুখ না খুললেও রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন শিল্পা। দলের সদস্যপদ গ্রহণ করেই শিল্পা জানান, রাহুল গান্ধীকে ভারতের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান তিনি।কংগ্রেসে যোগ দেয়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, আমার মনে হয় কংগ্রেসই একমাত্র দল, যারা দেশে পরিবর্তন আনতে পারে

প্রবাসী কবি মইনুল হক এর "বাউণ্ডুলে" এখন বইমেলাতে

এ বাড়ির নিয়মটাই এমন। সময়মতো দুপুরের খাবার খেতে না এলে কিছু না কিছুর অভাব থাকতো। ভাত থাকে তো তরকারি থাকেনা আবার তার উল্টোটাও হতো । একদিন দুপুরের খাবার দেরি করে খেতে এসে ছেলেটা দ্যাখে খাবার টেবিলে আজ সবাই আছে। এমন কি ভাপ ওঠা গরম ভাত। ছেলেটি আশ্চর্য হলেও খাবারে মন দেয় । সবকিছু খেয়ে চেটেপুটে সাফ করতেই সেজদি এসে বল্লো ;
- তুই কতো ভাত খেতে পারিস তা জানিস ? 
- কতো আর ! যতসামান্য ! 
- তুই আজ আধা কেজি চালের ভাত খেয়েছিস !! 
- তোর যা কথা ! 
- খোদার কসম। আমি নিজ হাতে রান্না করে রেখেছি শুধু দেখার জন্যে যে, তুই কতো খেতে পারিস।

সেই ছেলেটি ১৯৯০ সনের এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সিঙ্গাপুর যাবে কিন্তু চলে গেল হংকং। বাড়ির কাউকে না বলে, বন্ধু বান্ধব কাউকেই না জানিয়ে হঠাৎ করেই উধাও হয়ে গেল । তিন মাস পর চিঠি লিখেছিলো মায়ের কাছে। লিখেছিলো ; 
- মা আমাকে তুমি ক্ষমা করে দিও। আমাকে যে কিছু একটা করতেই হবে মা , তাই তো এ পথ বেছে নেওয়া। আমি যে তোমার সুখের জন্য পৃথিবীটাকে তোমার পায়ের কাছে এনে দিত চাই।

সেই বাউণ্ডুলে ছেলেটার যখন সব কিছু করার সামর্থ হলো ঠিক তখনি " মা " আর রইলো না। তিনি চলে গেলেন না ফেরার দেশে কিন্তু ছেলেটির মনে কতো যে না বলা কথা সব তাঁর অন্তরের গভীরে রয়েই গেল। কেউ কোনদিন একটিবারের জন্যও জানতে চায়নি তাঁর মনের কথা ...।

উনত্রিশ বছর ধরে মনের গভীরে লুকিয়ে রেখেছিলো সব। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে এই ফেব্রুয়ারির কোন একদিন ফিরে আসবে সে ...

" বাউণ্ডুলে "
মইনুল হক। 
প্রচ্ছদ : মোহাম্মদ মুনির । প্রকাশক : যুক্ত 
বইমেলা : সোহরাওয়ার্দী উদ্যান । 
যুক্ত : স্টল নং : ৫৯৯-৬০০

বনভোজনে রুপালি পর্দার তারকারা

বছরের একটা দিন চলচ্চিত্রের প্রায় সব তারকা এক জায়গায় একত্রিত হন। এ বছর গতকাল ছিল সেই দিন। সব কাজ ফেলে বনভোজনে গিয়েছিলেন রুপালি পর্দার তারকারা। গাজীপুরের কালীগঞ্জের একটি রিসোর্টে বসে এই তারকার মেলা। শিল্পী সমিতির আয়োজনে এবারের বনভোজনে প্রবীণ-নবীন শিল্পী, পরিচালক, প্রযোজকসহ অনেকেই অংশ নেন।

সকাল থেকেই স্পটে এক এক করে উপস্থিত হন সৈয়দ হাসান ইমাম, সোহেল রানা, সুচন্দা, সুচরিতা, ইলিয়াস কাঞ্চন,রোজিনা, জাভেদ, ডিপজল,  মিশা সওদাগর, আমিন খান, পপি, অমিত হাসান, জায়েদ খান, অনন্ত জলিল, বর্ষা, কাবিলা, ইমন, নিরব, অমৃতা, শিপন, জয় চৌধুরী, জন, বিপাশা কবিরসহ আরো অনেকে। শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান বলেন, আমরা ভালো কিছু করার চেষ্টা করেছি। নাচ-গানসহ আনন্দময় অনেক অনুষ্ঠান এবারো উপভোগ করেছে সবাই।

আমাদের ভালো লাগছে যে, সবাই এখানে এসে আনন্দ করেছে। এবার বনভোজনে তারকাদের অংশগ্রহণে ছিল নাচ, গান, বিভিন্ন খেলাধুলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। অমৃতা খান, শিপন, জয় চৌধুরী, জন, বিপাশা কবিরসহ এ প্রজন্মের একঝাঁক তারকা এবারের বনভোজনে পারফর্ম করে। সাপখেলা, নাগরদোলা, বালিশ খেলাসহ এবারের আয়োজনে বেশ কিছু ঐতিহ্যবাহী খেলাও যুক্ত ছিল। এ ছাড়াও ছিল দেশীয় নানা পদের মুখরোচক খাবার।

কে এই সুন্দরী সায়েশা?

বলিউডের একাধিক অভিনেতা-অভিনেত্রীর সঙ্গে আছে তার আত্মীয়তার সম্পর্ক। সেদিক থেকে নয়, অভিনয় ও সুন্দরী হিসেবে বেশ আলোচিত সায়েশা সায়গল। বলিউড তারকাদের অনেকেই তাকে নিয়ে সম্ভাবনা প্রকাশ করেছেন। ভাইজানখ্যাত সালমান খানও তাকে দিয়েছেন পরামর্শ। তবে গুঞ্জন আছে প্রথম প্রেমিকার মেয়ে বলেই সালমান তাকে খেয়াল রাখেন, স্নেহ করেন।

সায়েশা সায়গলের মা শাহিন বানুও ছিলেন একজন অভিনেত্রী। তিনি অভিনেত্রী শায়রা বানুর ভাই সুলতান আহমেদের মেয়ে। সম্পর্কে শায়রা ও দিলীপ কুমারের নাতনি হন সায়েশা। অন্যদিকে সালমান খানের কলেজ জীবনের প্রথম প্রেমিকা ছিলেন শাহিন। সেসময় শায়রা ও দিলীপ কুমারের সঙ্গে সালমানের ঘনিষ্ঠতা ছিল। ১৯ বছর বয়সেই শাহিনের সঙ্গে সালমানের ব্রেকআপ হয়। এরপর শাহিন বিয়ে করেন সুমিতকে। সুমিত আর শাহিনেরই মেয়ে সায়েশা।

কয়েক বছর আগে দিলীপ কুমারের জন্মদিনে সালমানের সঙ্গে সায়েশার দেখা হয়। সেখানে সায়েশাকে সিনেমায় অভিনয় করার পরামর্শ দেন সালমান।

গুঞ্জন আছে সায়েশাকে দেখলেই নাকি অল্প বয়সের শাহিনের কথা মনে পড়ে যায় বলে ঘনিষ্ঠ মহলে প্রকাশ করেছেন সালমান। সায়েশা তামিল সিনেমা ‘অখিল’-এ প্রথম অভিনয় করেন। এছাড়া বলিউডের অজয় দেবগণের ‘শিবায়’ সিনেমায় অভিনয় করে পেয়েছেন প্রশংসা।

একটি গয়না বিপণীর বিজ্ঞাপনের কারণে ইতোমধ্যে ভারতের ঘরে ঘরে পরিচিতি পেয়েছেন তিনি। সায়েশা শিক্ষার্থী হিসেবেও বেশ মেধাবী। সম্প্রতি ভারতের গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন কোনও শ্রেণিতে তিনি ৯০ শতাংশের কম নম্বর পাননি।

এবার ‘মৎসকন্যা’ সানি

 বলিউডে আসার পর থেকে এক এক সময় এক এক রকম অবতারে দেখা গিয়েছে তাঁকে। কখনও ‘রইস’-এ শাহরুখ খানের সঙ্গে আইটেম নম্বরে অভিনয় করেছেন তিনি, আবার কখনও তাঁকে ‘বেবি ডল’-এর মতো জনপ্রিয় গানে দেখা গিয়েছে। আবার কখনও স্বামী, সন্তানদের নিয়ে চুটিয়ে সংসার করতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে।

বুঝতেই পারছেন সানি লিওনের কথাই বলা হচ্ছে। আর এবার সানিকে দেখা গেল এক্কেবারে অন্যরকম লুকে।
এবার হানি সিং-এর সঙ্গেজুটি বেঁধে নতুন মিউজিক ভিডিও আনতে চলেছেন সানি লিওন। যেখানে তাঁকে ‘মত্সকন্যা’ রূপে দেখা যাচ্ছে। সানি লিওনের নতুন ওই রূপ দেখে ইতিমধ্যেই জোর আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে তাঁর ভক্তদের মধ্যে।

তবে এই প্রথমবার নয়, যখন হানি সিং-এর সঙ্গে জুটি বাঁধলেন সানি লিওন। এর আগেও একটি মুজিক ভিডিওতে হানি সিং-এর সঙ্গে জুটি বেঁধে দর্শক এবং শ্রোতাদের মন জয় করে নেন সানি লিওন। এবার দেখা যাক, ‘মত্সকন্যা’ সেজে আর কতটা প্রভাব তিনি দর্শকদের উপর ফেলতে পারেন।

ইশিতা বিশ্বকর্মাকে সা রে গা মা পা ২০১৮ আসরে বিজয়ী ঘোষণা

ইশিতা বিশ্বকর্মাকে সা রে গা মা পা ২০১৮ আসরে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।  ট্রফির সাথে পুরস্কার হিসেবে ইশিতা ৫ লাখ রুপি ও একটি নতুন গাড়িও পেয়েছেন। প্রথম রানার আপ হয়েছেন তন্ময় এবং দ্বিতীয় রানার আপ হয়েছেন সনু।

সা রে গা মা পা ২০১৮ আসরে আসা সব তারকার থেকেই প্রশংসা কুড়িয়েছেন ইশিতা। শাহরুখ খান ইশিতার কণ্ঠে ‘রাবনে বানা দি জোড়ি’ গানটি শুনে মুগ্ধ হয়ে প্রশংসা করেছিলেন। সেই সঙ্গে তার ক্যারিয়ারের জন্য শুভকামনা জানিয়েছিলেন। সারা আলি খানকেও মুগ্ধ করেছেন ইশিতা। সারা তার মা অমৃতা সিংকে ফোন দিয়ে ইশিতার গান শুনিয়েছেন।

ভারতের জি টিভির অন্যতম জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো সা রে গা মা পা ২০১৮ আসরের সবচাইতে কনিষ্ঠ সদস্য ছিলেন ইশিতা। কিন্তু তারপরেও তিনি আসর মাতিয়ে রেখেছিলেন। মধ্য প্রদেশের মেয়ে ইশিতা গান-পাগল পরিবার থেকে এসেছেন। তিনি সা রে গা মা পা লিটিল চ্যাম্পস সিজন ৬ এর একজন প্রতিযোগী ছিলেন।

মজার বিষয় হলো সা রে গা মা পা ২০১৮ আসরে ইশিতার মা’ও অংশ নিয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারেননি তিনি। তবে তার আফসোস ভুলিয়ে দিয়েছেন ইশিতা।

৫০ বছর বয়সে প্রথমবারের মতো ‘মা’ হতে যাচ্ছেন জেনিফার অ্যানিস্টন

জেনিফার অ্যানিস্টনকে সবাই একনামেই চেনে। হলিউডের প্রথম সারির একজন অভিনেত্রী তিনি। সিনেমার জগতের বাইরে ব্রাড পিট ও জাস্টিন থেরক্সের সঙ্গে সংসার করলেও বাচ্চা নেননি আসছে এই ফেব্রুয়ারিতে ৫০ বছরে পা দিতে যাওয়া এই অভিনেত্রী।

আর এই ৫০ বছর বয়সেই প্রথমবারের মতো ‘মা’ হতে চলেছেন জেনিফার অ্যানিস্টন। তবে প্রাকৃতিকভাব সন্তান প্রসব করে নয়, দত্তক নিয়েই মাতৃত্বের স্বাদ নিতে চান তিনি। মেক্সিকোর বিভিন্ন এতিমখানায় অনেক দিন ধরেই সাহায্য করেন জেনিফার। জাস্টিনের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর সেই এতিমখানার সঙ্গে যোগাযোগ করে দত্তক নেওয়ার আগ্রহের কথা জানান তিনি। আর ইতোমধ্যে দত্তক নেওয়ার সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ বলে জানা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অভিনেত্রীর এক সূত্র জানায়, ‘গেলবার মেক্সিকো সফরে দুটি এতিমখানায় যান অ্যানিস্টন। সেখানেই এক মেয়ে শিশুকে ভীষণ ভালো লাগে তার। সফর থেকে ফিরেও তিনি অনেকবার ওই শিশুর খোঁজ নিয়েছেন। নানা জটিলতায় তখন দত্তক নিতে পারেননি। এখন কোনো বাধা নেই। আশা করা যায়, ১১ ফেব্রুয়ারি তার ৫০তম জন্মদিন মেয়ের সঙ্গেই কাটাতে পারবে।’

যৌন সম্পর্কের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মডেল খুন

 যৌন সম্পর্কের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় খুন হয়েছেন এক উঠতি মডেল। ছবি তোলার এক পর্যায়ে মডেলকে যৌন সম্পর্কের কুপ্রস্তাব দেয় ১৯ বছরের ফটোগ্রাফার সৈয়দ মোজাম্মিল। আর ওই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ২০ বছর বয়সী ওই মডেলকে হত্যা করে সে। ভারতের একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য।

হত্যার ঘটনা গত বছরের ১৫ অক্টোবর ঘটলেও সম্প্রতি মামলায় কুপ্রস্তাব প্রত্যাখান করায় খুন হয়েছে বিষয়টি উল্লেখ করে পুলিশ আদালতে চার্জশিট দাখিল করলে তা আবারও আলোচনায় আসে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে খবর, কাজের খাতিরেই ফটোগ্রাফার সৈয়দ মোজাম্মিলের সঙ্গে পরিচয় হয় উঠতি মডেল মানসী দীক্ষিতের। গত বছরের ১৫ অক্টোবর ফটোশুটের কথা বলে মানসীকে নিজের বাড়িতে ঢেকে পাঠায় মোজাম্মিল। সেখানেই ছবি তোলার এক পর্যায়ে এই মডেলকে যৌন সম্পর্কের কুপ্রস্তাব দেয় সে।

কিন্তু সেই প্রস্তাবে রাজি না হলে তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান ওই ফটোগ্রাফার। বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ভারী কাঠের টুকরো নিয়ে মানসীর মাথায় আঘাত করে মোজাম্মিল। এরপরেই জ্ঞান হারান ওই তরুণী। তারপর মানসীকে আবারও ধর্ষণের চেষ্টা করে মোজাম্মিল।

সবশেষ মোজাম্মিল গলায় দড়ি দিয়ে পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করে মানসীকে। পরে মানসীর লাশকে ব্যাগে ভরে রাস্তার ধারে ফেলে পালিয়ে যায় সে।

মানসী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মোজাম্মিলকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে দায়ের মামলায় সম্প্রতি বিষয়টি উল্লেখ করে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।

ভাড়া কইরা আনবি মানুষ কান্দিতে মোর লাশের পাশে’

জনপ্রিয় গায়ক মনির খানের কণ্ঠে তুমুল জনপ্রিয়তা পাওয়া গান ‘ভাড়া কইরা আনবি মানুষ কান্দিতে মোর লাশের পাশে’। প্রেমিকার উপস্থিতিতে প্রেমিক শেষবিদায় নিতে পারবে না। তাই প্রেমিকের দাফনের সময় প্রেমিকা যেন আশেপাশে না থাকে সেই অনুরোধই ছিলো গানটিতে।

গভীর উপলব্দির প্রেমমাখা এই গানের কথা, সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছিলেন সদ্য প্রয়াত আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল। আজ তিনি নেই। চলে গেলেন সবরকম অভিমানের ওপারে।

তার মৃত্যুর খবর প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই কান্নার রোল উঠেছে। কাউকে ভাড়া করে আনতে হয়নি। তার জীবন, কর্ম, সৃষ্টির শূন্যতা নিয়ে আজ কাঁদছে বাংলা গানের পৃথিবী, কাঁদছে তার অগণিত ভক্ত-অনুরাগীরা।

মঙ্গলবার বন্ধুর প্রয়াণের খবর পেয়েই তার বাসায় ছুটে যান  ইলিয়াস কাঞ্চন, কুমার বিশ্বজিৎ, এন্ড্রু কিশোর। তাদের চোখের জলে ভারী হয়েছে আকাশ। বুলবুলকে হারিয়ে তার স্মৃতিচারণে গিয়ে কাঁদলেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার, শেখ সাদী খান, মনির খান, কনক চাঁপা, রিয়াজ।

পরিচালকদের নির্বাচনকে ঘিরে উৎসব মুখর এফডিসিতেও কাল দেখা গেল থমথমে অবস্থা। আর মঙ্গলবার ভোর রাত থেকে ফেসবুক তো বুলবুলের শোকেরই সমুদ্র যেন।

আজ বুধবার সকালে এই গুণী সংগীত পরিচালকের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সেখানেও দেখা গেল শোবিজের নানা অঙ্গনের মানুষের ঢল। এসেছেন শত শত অনুরাগীরা। কেউ ফুল হাতে, কেউ বা উৎসুক মন নিয়ে এসেছেন যার গান শুনে জীবনে বহুবার প্রেমে পড়েছেন তাকে শেষবারের মতো এক নজর দেখবেন বলে। শোকে-কান্নায় ভারী ছিলো শহীদ মিনারের বাতাস।

আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলকে হারিয়ে, তার মরদেহ ঘিরে ভালোবাসার এই কান্না বহমান। এই সব কান্নাই প্রেমের। হয়তো এত এত কান্নার ভিড়ে মিশে গেছে তার ছদ্মবেশী প্রেমিকাদের কান্নাও। যে কান্নার খোঁজ আমরা রাখিনি, পাইনি।

কুষ্টিয়ার কৃতি সন্তান সালাউদ্দিন লাভলু’র জন্মদিন আজ

 কুষ্টিয়ার কৃতি সন্তান প্রখ্যাত টিভি ও চলচ্চিত্র পরিচালক সালাউদ্দিন লাভলু’র আজ জন্মদিন। ১৯৬২ সালের আজকের এই দিনে কুষ্টিয়ার জুগিয়ায় জন্মগ্রহন করেন।

১৯৭৯ সালে আরণ্যক নাট্যদলে যোগদানের মাধ্যমে ঢাকার নাট্ট আঙ্গনে পদচারনা শুরু হয়। পরে টেলিভিশন চিত্রগ্রাহক হিসেবে নিজের দক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন। বিটিভি অভিনয় করার পাশাপাশি ১৯৯৭ সালে টিভি নাটক পরিচালনা শুরু করেন। তার পরিচালিত ও অভিনীত বেশ কিছু জনপ্রিয় নাটকের মধ্যে দ্বীচক্রযান, গহরগাছি, একজন আয়নাল লস্কর, ঘর, রঙের মানুষ, গরু চোর, ঢোলের বাদ্য, পাত্রী চাই, আলতা সুন্দরী, ব্যস্ত ডাক্তার ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। লাভলু মেরিল প্রথম আলো পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কার লাভ করেছেন।

মোল্লা বাড়ীর বউ, লাল সবুজ, ডাক্তার বাড়ী একদিন চলচ্চিত্র পরিচালনা করেন। শ্রেষ্ট পরিচালক হিসেবে ২০০৫ লাক্স চ্যানেল আই পারফর্মেন্স এওয়ার্ড লাভ করেন।

বর্তমান লাভলু কুষ্টিয়াতে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করছেন নতুন টিভি সিরিয়াল ‘প্রিয় দিন প্রিয় রাত’ নির্মান নিয়ে।

‘আমার কুষ্টিয়া’ ও আমি কুষ্টিয়ান’দের পক্ষ থেকে তাঁর জন্মদিনে অনেক অনেক প্রীতি ও শুভেচ্ছা।

অন্তরালে নাটকে প্রধান নায়িকা চরিত্রে কুষ্টিয়ার অপ্সরা সুহি

এটিএন বাংলায় মেগা ধারাবাহিক ডিবি নাটকে অন্তরালে গল্পে প্রধান নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করছেন কুষ্টিয়ার সন্তান টিভি অভিনেত্রী অপ্সরা সুহি। ইতিমধ্যে নাটকটির  সুটিং শুরু হয়েছে। নাটকটি পরিচালনা করেছেন জি.এম সৈকত। সুহি বলেন- একজন তরুন শিল্পপতির স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছি। আমার সহশিল্পী ছিল সাব্বির আহমেদ। চরিত্রটিকে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি। আশা করি দর্শকদের ভালো লাগবে

বিয়ের জন্য ছেলে খুঁজে পাচ্ছেন না পায়েল !

প্রেম বা বিয়ের জন্য কলকাতায় ছেলে খুঁজে পাওয়া মুশকিল বলে মনে করেন অভিনেত্রী পায়েল সরকার। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘‘কলকাতায় বিয়ে বা সেটল করার জন্য তো ছেলে পাওয়া মুশকিল।’’ প্রেম করছেন তো? এমন প্রশ্নের জবাবে একই উত্তর, ‘‘না! প্রেম করার জন্যও ছেলে পাওয়া ডিফিকাল্ট। আর এখন ওসব নিয়ে ভাবছিও না। কাজে কনসেনট্রেট করেছি।’’

পায়েলের হাতে এখন পর পর কয়েকটা ছবি রয়েছে। আগামী ১৮ জানুয়ারি মুক্তি পাবে ‘জামাই বদল’। সেখানেই স্বামী বদলের গল্প রয়েছে। পায়েলের চরিত্রের নাম প্রীতি। বয়ফ্রেন্ডকে ব্ল্যাকমেল করে সে। এ ছবিতে হিরণের সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন পায়েল। তাঁর কথায়, ‘‘হিরণের সঙ্গে আগে কাজ করেছি। তা ছাড়া সোহম, কৌশানী রয়েছে। ফ্রেন্ডলি জোন ছিল কাজের।’’

কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় পরিচালিত ‘মুখোমুখি’তে অভিনয় করেছেন পায়েল। যিশু সেনগুপ্তের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করেছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘এই ছবিটা ইন্ডিভিজ্যুয়াল টেস্টের ওপর নির্ভর করবে। ভাল বা খারাপ লাগার জন্যও ছবিটা দেখা দরকার। মেকিংয়ের দিক থেকে বলতে পারি ৩৬০ ডিগ্রি শেডস রয়েছে।’’

এ ছবিতে পায়েলের চরিত্রের নাম অনুসূয়া। আসলে কম্পিটিটিভ ওয়ার্ল্ডে মানানসই হতে গিয়ে আমরা যেটা নই, সেটা হওয়ার চেষ্টা করি। এ বিষয়ের ওপরই এগোবে চিত্রনাট্য। নিজের মুখোমুখি হওয়াটাই সবচেয়ে কঠিন, এ ছবি সেই সত্যিকেই ফের সামনে এনে ফেলবে।

এ ছাড়াও পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের পরিচালনায় ‘শরতে আজ’ নামের একটি ওয়েব সিরিজে অভিনয় করছেন পায়েল। রোম্যান্টিক এই থ্রিলার আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পাবে ‘জি ফাইভ’ প্ল্যাটফর্মে।

ABOUT US

এটি একটি অনলাইন খবরের তথ্য ভান্ডার। যা কুষ্টিয়াকে সমৃদ্ধ করতে তথ্য নির্দেশ করে।

This is a online news portal.
Which contain directory of enriched kushtia.