কুষ্টিয়ার খাজানগর ঝুকিপূর্ণ ব্রীজটি যেন মৃত্যুকুপ

কুষ্টিয়ার খাজানগরের ঝুঁকিপূর্ণ ব্রীজটির নির্মান কাজ শুরু হলেও ঠিকাদারের উদাসীনতায় কাজের ধীরগতি ও কাজ না করে দীর্ঘদিন ফেলে রাখায় ব্রীজটির এক পাশ ভেঙে যেন মৃত্যুকুপে পরিণত হয়েছে।

কুষ্টিয়া চুয়াডাঙ্গা সড়কের এই ব্রীজটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম চাউলের মোকাম খাজানগর জিকে খালের উপর। এই ব্রিজটি (কালভাট) দীর্ঘদিন পর কাজ শুরু করেছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। অধিক ঝুকিপূর্ণ ও পুরাতন এ ব্রীজটি ভেঙ্গে নতুন করে নির্মাণ কাজ শুরু হলেও ব্রীজটির পূর্বে ভেঙে যাওয়া অংশ বাদ রেখে অপর পাশে কাজ শুরু করে তা দীর্ঘ যাবত কাজ না করে ফেলে রাখায় চরমে দূর্ভোগের পড়েছে যাত্রী সাধারণ।

এদিকে কুষ্টিয়া চুয়াডাঙ্গাসহ বৃহত্তম কাপড়ের হাট পোড়াদহে কাপড় আনা নেয়াসহ জরুরী পোড়াদহ স্টেশনে যাওয়া আসা করতে গিয়ে ওই ব্রীজের কারণে সেখানে যানজটের শিকার হয়ে প্রতিনিয়ত চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রী সাধারণদের। এছাড়াও ব্রীজটির দুপাশে কয়েক কিলোমিটার যানজটে আটকে পাড়া গাড়ির দীর্ঘ লাইন থাকায় খাজানগরে ট্রাকে চাল লোড আনলোড করেও ট্রাক থামিয়ে দীর্ঘসময় অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে চালক ও ব্যবসায়ীদের। এতে ঠিক সময় গন্তব্যে পৌছাতে না পারাই লোকসান গুনতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। এতে চরম হতাশায় পড়তে হচ্ছে ব্যবসায়ী ও চালকদের। ছাড়াও সেখানে ছোট বড় দূর্ঘটনা যেন এখন নিত্য দিনের। যে কোন মুহুর্তে বড় ধরনের দূর্ঘটনাসহ প্রাণনাশের আশঙ্কা রয়েছে।

গতকাল সরেজিমনে দেখায় যায় ব্রীজটির কাজ শুরু হলেও সেখামে ঠিকাদারের কোন কর্মচারীর দেখা মেলেনি । সেখানে ব্রীজটির একপাশের কিছু অংশ কাজ করে ফেলে রাখা হয়েছে। অপর পাশের ভাঙা অংশ দিয়ে ছোট বড় যানবাহন গুলো চমর ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে। তবে একটি গাড়ি পারাপারের সময় অপর গাড়িকে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। আর এতেই সৃষ্টি যানজট।

সচেতন এলাকাবাসী জানান, ব্রীজটির কাজ দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ করার কথা থাকলেও ব্রীজটি একসাইড ভেঙে কাজ শুরু করে আবার দীর্ঘদিন ফেলে রাখায় নতুন করে দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছ। পাশাপাশি ঠিকাদার ব্রীজটির এক পাশে মাটি ফেলে গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখায় ভাঙা অংশ দিয়েইই চরম ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি- যাত্রী সাধারণকে চলতে হচ্ছে। এতে ব্রীজে চলাচল করতে গিয়ে ছোট বড় ধরনের দূর্ঘটনাসহ যাত্রীদের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হবে। তবে ব্রীজটির অপর পাশের ফেলে রাখা মাটি সরিয়ে দিলে যাত্রী সাধারণের চলাচলে সমস্যা কিছুটা লাগব হবে বলে জানান স্থানীয়রা।

মন্তব্য