খেলার খবর

খেলার খবর আমার কুষ্টিয়া হতে প্রকাশিত

দুঃস্বপ্নের সফর শেষে ঢাকায় পৌঁছলেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল

দুঃস্বপ্নের এক সফর শেষে নিউজিল্যান্ড  থেকে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সদস্যরা। শনিবার রাত ১০.৪২ মিনিটে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে করে ঢাকা হযরত শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে এসে পৌঁছায় ১৯ সদস্যের দল।

শুক্রবার ক্রাইস্টচার্চে আন-নুর জামে মসজিদে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হন ৪৯ জন। হামলার পরপরই ওই মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করতে গিয়েছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সদস্যরা। মসজিদের সামনে টিম বাস  থেকে নামতেই একজন মহিলা তাদের গোলাগুলির কথা জানান। পরমুহূর্তেই তামিম, রিয়াদ, মুশফিকরা গুলির আওয়াজ শুনতে পান।

আতকিংত হয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন ক্রিকেটাররা। পার্ক হয়ে সোজা তারা চলে যান স্টেডিয়ামে। স্টেডিয়াম থেকে পুলিশি পাহারায় টিম হোটেলে। ঘটনার পর বাংলাদেশ দলের টিম হোটেল সহ আশপাশের এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা  জোরদার করা হয়।

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে গুলি, রক্ষা পেলেন বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে হ্যাগলি ওভাল মাঠের খুব কাছে একটি মসজিদে আজ শুক্রবার স্থানীয় সময় বেলা দেড়টার দিকে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়েরা। লিটন দাস ও নাঈম হাসান ছাড়া বাংলাদেশ দলের সবাই মাঠে অনুশীলনে ছিলেন। অনুশীলন শেষে তাঁরা ওই মসজিদে জুমার নামাজ আদায়ে যান। মসজিদে প্রবেশের মুহূর্তে স্থানীয় একজন তাঁদের মসজিদে ঢুকতে নিষেধ করেন। বলেন, এখানে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। আতঙ্কিত খেলোয়াড়েরা তখন দৌড়ে হ্যাগলি ওভালে ফেরত আসেন। খেলোয়াড়দের সবাইকে মাঠের ভেতর থাকতে বলা হয়েছে
হতাহতের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের অনেকে বেশ কয়েকজন নিহত হয়েছে বলে আশঙ্কা করেছেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে নিউজিল্যান্ডের একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যম স্টাফ ডট কো জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বেলা ১টা ৩০ মিনিটে নামাজ শুরু হওয়ার ঠিক দশ মিনিট পর একজন বন্দুকধারী সিজদায় থাকা মুসল্লিদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এরপর জানালার কাচ ভেঙে হামলাকারী পালিয়ে যায়। হামলাকারীর হাতে অটোমেটিক রাইফেল ছিল। 
ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলি ওভাল মাঠে আগামীকাল বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ডের তৃতীয় টেস্ট হওয়ার কথা

কুষ্টিয়ায় জিপিএল ক্রিকেট টুর্নামেন্টে হেনা স্মৃতি চ্যাম্পিয়ন

সোমবার বিকেলে কুষ্টিয়ার শহরের আমলাপাড়া গড়াই স্পোর্টিং ক্লাব মাঠে জিপিএল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। খেলায় প্রথমে বেট করতে নেমে কুষ্টিয়া হেনা স্মৃতি তারা নিদিষ্ট ১৪ ওভারে ২২৭ রান করেন। জবাবে কুষ্টিয়া আড়ুয়াপাড়া জিমন্যাস্টিক ক্লাব খেলতে নেমে ১২ ওভার ৫ বল খেলে সব কটি উইকেট হারিয়ে ৮৯ রান করতে সক্ষম হন। এতে ১৩৮ রানের বিশাল জয় নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন হেনা স্মৃতি। রানারআপ হন আড়ুয়াপাড়া জিমন্যাস্টিক ক্লাব। দলের পক্ষে ২ টি উইকেট ও ৯৮ রান করে হেনা স্মৃতির ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হন জামিরুল এবং ম্যান অব দ্যা সিরিজ হয়েছেন হেনা স্মৃতির শাকিল ।

খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন দলের অধিনায়ক শরিফুল ইসলাম শরিফসহ অন্যান্য খেলোয়ারের হাতে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি শহর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা। এছাড়া রানারআপ দলের অধিনায়ক শশীসহ অন্যান্য দলের খেলোয়াড় দের হাতে রানারআপ ট্রফি তুলে দেন উপস্থিত প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ। পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার গৌরব চাকী। অনুষ্ঠানের পৃষ্টপোষকতায় নুরুউজ্জামান বিশ্বাস জনি। সার্বিক তত্ত্বাবধানে বাবুল, জাফর, শরিফ, বাপ্পী, নাজমুল, ইমরান প্রমুখ।

বৃষ্টির কারণে ওয়েলিংটনে প্রথম দিনের খেলা পরিত্যাক্ত

নিউজিল্যান্ডের ওয়েলিংটনে বৃহস্পতিবার ভোর চারটায় দ্বিতীয় টেস্টের খেলা শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ওয়েলিংটনের আকাশে ভোর থেকে মুষলধারে বৃষ্টি। মাঠ ভিজে একাকার। এমন দিনে যা হওয়ার তা-ই হলো টস, এমনকি প্রথম সেশনের একটি বলও মাঠে গড়ায়নি। আকাশের অবস্থা দেখে স্থানীয় আবহাওয়া অফিস আগে ধারনা করেছিল কি হতে যাচ্ছে।

তবে ধারাভাষ্যকাররা বলেছিলেন বৃষ্টি থামলে মধ্যাহ্নভোজনের বিরতির পর খেলা শুরু হতে পারে। কিন্তু সেটি আর হয়ে ওঠে নি। মাঠে যে পরিমাণ পানি জমেছে তাতে মাঠ শুকিয়ে খেলা শুরু করাটাও ছিল বেশ সময় সাপেক্ষ।

সফরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তেমন কোনো প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারছে না বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজে হারের পর প্রথম টেস্টে একদিন বাকি থাকতে ইনিংস ও ৫২ রানে হেরেছে টাইগাররা। এ হতাশার সঙ্গে ভোগাচ্ছে ইনজুরি সমস্যা। দলের অভিজ্ঞ বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারও ইনজুরিতে।

তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজে ১-০তে এগিয়ে নিউজিল্যান্ড।

কুষ্টিয়ার মেয়ে হ্যাপীর দুর্দান্ত সেন্সুরি

 কক্সবাজার স্টেডিয়ামে এই অাসরে প্রথম সেন্সুরি হাকালেন কুষ্টিয়ার মেয়ে মোর্শেদা খাতুন হ্যাপী ।
সোমবার জাতীয় মহিলা ক্রিকেট লীগে সিলেট বিভাগের হয়ে কুষ্টিয়ার মেয়ে মোর্শেদা খাতুন হ্যাপীর ১২৩ বলে ১০০ রান করে।

প্রথমে সিলেট বিভাগ ব্যাট করতে নেমে ২১১ রান করতে সক্ষম হয়। এই লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ১৬৩ রানে অল অাউট হয় ময়মনসিংহ বিভাগ। সিলেট বিভাগের কাছে ৪৮ রানে পরাজিত হয় ময়মনসিংহ বিভাগ। সোমবারের খেলায় ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হন মোর্শেদা খাতুন হ্যাপী।

উল্লেখ্য সোমবার সহ গত তিন ম্যাচে মোর্শেদার রান (৮১,৭০,৪৪)। সোমবারের ম্যাচ পর্যন্ত জাতীয় মহিলা ক্রিকেট লীগে সর্বোচ্চ রান মোর্শেদা খাতুন হ্যাপীর।

অবসরে ইন্ডিজের ওপেনার ক্রিস গেইল

আসন্ন ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের পরে ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে অবসরের কথা ঘোষণা করেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওপেনার ক্রিস গেইল। রোববার ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে একথা জানানো হয়েছে।

এদিন টুইটারে বোর্ড জানায়, ‘উইন্ডিজ ব্যাটসম্যান ক্রিস গেইল ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসে অনুষ্ঠেয় আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের পর আন্তর্জাতিক ওয়ানডে থেকে অবসরের কথা ঘোষণা করেছেন।’

১৯৯৯ সালের সেপ্টেম্বরে ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেক হয় ক্রিস গেইলের। এখন পর্যন্ত তিনি ২৮৪টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন। এই জামাইকান খেলোয়াড়ের সংগ্রহে ৯৭২৭ রান। এর মধ্যে ২৩টি সেঞ্চুরি এবং ৪৯টি হাফ সেঞ্চুরির রেকর্ড তার ঝুলিতে। ২০১৫ বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ওয়ান ডে কেরিয়ারের সর্বোচ্চ ২১৫ রানের ইনিংস খেলেন গেইল।

গেইল হলেন ইতিহাসের একমাত্র ক্রিকেটার, যিনি টেস্টে ত্রিশতরান, ওয়ানডে ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরি ও আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টি ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছেন। ১০৩টি টেস্টে গেইল ১৫টি শতরানসহ ৭২১৪ এবং ৫৬টি আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টি ম্যাচে দু’টি শতরানসহ ১৬০৭ রান করেছেন।

বিশ্বকাপে মুখোমুখি এবার ভারত-বাংলাদেশ

একসময় ক্রিকেটে উত্তেজনাময় ম্যাচ হিসেবে ধরে নেয়া হতো পাক-ভারত ম্যাচকে।

তবে তেমনটি আর নেই। পাকিস্তানের জায়গা দখল করে নিয়েছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ-ভারত লড়াই মানেই এখন অন্যরকম উত্তেজনা।

আর সেই লড়াইটা যদি হয় বিশ্বকাপের মাঠে তবে তো কথাই নেই!

বলে বলে থাকে টান টান উত্তেজনা। অবশ্য খেলার দিনকয়েক আগে থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় চলতে থাকে। নানা মুখরোচক শব্দের ফুলঝুড়িতে ভরে ওঠে ফেসবুক, টুইটার।

অনেকে ট্রলড, স্যাটায়ার নিয়ে মুখিয়ে থাকেন।

গণমাধ্যমেও এ নিয়ে চলে বিস্তর গবেষণা।

ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ যেন অলিখিত কোনো ফাইনাল।

আর এই উত্তেজনাময় ম্যাচ গত তিন বিশ্বকাপেই দেখা গেছে। তিনটি আসরেই বাংলাদেশের মুখোমুখি হয়েছে ভারত।

ঘটনাটি ২০০৭ সালের।

চ্যাম্পিয়নের লক্ষ্য নিয়ে আসা ভারত গ্রুপপর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল বাংলাদেশের সঙ্গে হেরে।

সেবার তরুণ ড্যাশিং ওপেনার তামিম ইকবাল ও ম্যাচসেরা মাশরাফি বিন মর্তুজার কাছে হেরেছিল দুইবারের চ্যাম্পিয়নরা।

ওই ম্যাচ থেকেই বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ ক্রিকেট দুনিয়ার হাইভোল্টেজ ম্যাচে পরিণত হয়।

২০০৭ সালের ক্ষত পূরণে ২০১১ বাংলাদেশের বিপক্ষে জয় পায় ধোনিরা।

২০১৫ বিশ্বকাপে ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচটি নিয়ে এখনও বির্তক চলছে।

সেবার কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশের সঙ্গে দেখা হয় ধোনিবাহিনীর।

আম্পায়ারদের কয়েকটি ডিসিশন বাংলাদেশের বিপক্ষে চলে যায় সেই ম্যাচে, ফলাফল হেরে যায় মাশরাফিরা।

আসছে ২০১৯ সালের বিশ্বকাপ। এবারও ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ।

তবে মূল আসরের আগেই প্রস্তুতিপর্বে টাইগারদের দেখা হবে কোহলিদের সঙ্গে।

একনজরে দেখে নেয়া যাক বিশ্বকাপে বাংলাদেশ বনাম ভারতের পরিসংখ্যান:

ফল

২০০৭ : বাংলাদেশ ৫ উইকেটে জয়ী, ম্যাচসেরা মাশরাফি বিন মর্তুজা

২০১১ : ভারত ৮৭ রানে জয়ী, ম্যাচসেরা বীরেন্দ্রর শেবাগ

২০১৫ : ভারত ১০৯ রানে জয়ী, ম্যাচসেরা রোহিত শর্মা

ব্যাটিং

২০১১: ভারতের ৩৭০/৪ সংগ্রহ বিশ্বকাপে দুই দলের সর্বোচ্চ

২০০৭: ভারতের ১৯১/১০ সংগ্রহ বিশ্বকাপে দুই দলের সর্বনিন্ম

বীরেন্দ্রর শেবাগের ১৭৭ রান দুই দলের কোনো ব্যাটসম্যানের মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ।

বিশ্বকাপে ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচে মোট সেঞ্চুরির সংখ্যা। তিনটিই এসেছে ভারতীয় ব্যাটসম্যান থেকে।

২০১১: বীরেন্দ শেবাগ (১৭৫ রান),

২০১১: বিরাট কোহলি (১০০)

২০১৫: রোহিত শর্মা ( ১৩৭)।

বোলিং

ভারতীয় বলার মুনাফ প্যাটেলের নেয়া ৬ উইকেট বিশ্বকাপে ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচে কোনো খেলোয়াড়ের সর্বোচ্চ।

২০০৭: মাশরাফি বিন মর্তুজার ৪/৩৮ বোলিং ফিগার দুই দলের মধ্যে সেরা।

উইকেটকিপিং

মহেন্দ্র সিং ধোনির করা ৮ ডিসমিসাল সর্বোচ্চ।

ফিল্ডিং

বাংলাদেশের আবদুর রাজ্জাক ও আফতাব আহমেদ এবং ভারতের রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও মোহাম্মদ শামির ২টি করে ক্যাচ বিশ্বকাপে ভারত-বাংলাদেশ লড়াইয়ে ২টি করে ক্যাচ দুই দলের লড়াইয়ে কোনো ফিল্ডারের সর্বোচ্চ।

বিপিএল চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স

লক্ষ্য বিশাল, জিততে হলে ২০০ রান করতে হবে। এই রান তাড়া করতে নেমে ঢাকা ডায়নামাইটসের শুরুটা হয়েছিল দারুণ। কিন্তু সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি সাকিব আল হাসানের দল। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের বিশাল সংগ্রহ টপকাতে পারেনি তারা। তাই দারুণ জয়ে শিরোপার উল্লাস করে তামিম-ইমরুলরা। ম্যাচে তারা জিতেছে ১৭ রানে।

শুক্রবার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে ফাইনালে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করে কুমিল্লা গড়ে ১৯৯ রান। জবাবে ঢাকার ইনিংস থেমে যায় ১৮২ রানে।

বিপিএলে কুমিল্লার এটি দ্বিতীয় শিরোপা। এর আগে ২০১৫ সালে বরিশাল বুলসকে ৩ উইকেটে হারিয়ে প্রথম শিরোপা জিতেছিল তারা। দুই মৌসুম পর আবার শিরোপা জিতেছে তারা।

আসরের সবচেয়ে বেশিবার চ্যাম্পিয়ন ঢাকা এ নিয়ে পঞ্চমবার ফাইনালে উঠেও শিরোপা হাতছাড়া করে। এর আগে তারা তিনবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল, আর গতবার হয়েছিল রানার্সআপ। গত আসরে রংপুর রাইডার্সের কাছে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করেছিল তারা, এবার কুমিল্লার কাছে হেরে একই দশা হয় তাদের।

তবে এদিন বিশাল সংগ্রহের জবাবে ওপেনার উপুল থারাঙ্গা ও ওয়ানডাউনে নামা রনি তালুকদারের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে মনে হয়েছিল জয়টা বুঝি সহজই হবে ঢাকার। কিন্তু হঠাৎই যেন চিত্র পাল্টে যায়। খেই হারিয়ে ফেলে তাদের ব্যাটসম্যানরা। ইনিংসের নবম ওভারে থারাঙ্গা (৪৮) সাজঘরে ফিরলে সব চিত্র পাল্টে যায়। একে একে সাকিব (৩), পোলার্ড (১৩) ও আন্দ্রে রাসেল (৪) সাজঘরের পথ ধরেন। রনি সর্বোচ্চ ৬৬ রান করেন।

এর আগে ওপেনার তামিম ইকবালের অসাধারণ সেঞ্চুরিতে কুমিল্লা গড়ে পাহাড়সম সংগ্রহ। কুমিল্লা গড়া ১৯৯ রানে তামিম একাই নিয়েছেন ১৪১ রান।

উদ্বোধনীতে ব্যাট করতে নেমে বেশ সতর্কভাবে শুরু করেছিলেন এই তামিম। যদিও দলীয় ৯ রানের মাথায় আরেক ওপেনার এভিন লুইসের উইকেট হারিয়ে বসে তারা। কিন্তু এনামুল হককে (২৪) সঙ্গে নিয়ে দলকে ধীরে ধীরে এগিয়ে নেন তিনি। আর শেষ দিকে এসে ঝড় তুললেন এই বাঁহাতি ওপেনার। তামিম ঝড়ে যেন উড়ে গেছেন ঢাকার বোলাররা।

তামিম ৬১ বল খরচায় ১৪১ রানের চমৎকার ইনিংস খেলেন। যাতে ১০ চার ও ১১টি ছক্কার মার রয়েছে। ঢাকার বোলাররা তাঁর সামনে যেন অসহায় ছিলেন। এই কুমিল্লা ওপেনারের মার থেকে বাদ যাননি কেউই।

এবারের আসরে লিগ পর্বে দুবার ঢাকাকে হারানোর অভিজ্ঞতা আছে কুমিল্লার। সেই সুখস্মৃতি মনে রেখে মানসিকভাবে এগিয়ে যায় তারা। এক আসরে তৃতীয়বার হারিয়েছে তাদের।

চ্যাম্পিয়ন রংপুরকে বিদায় করে ফাইনালে ঢাকা

হাইভোল্টেজ ম্যাচ। মাশরাফি বিন মর্তুজা বনাম সাকিব আল হাসানের লড়াই। দুই অধিনায়কের এই লড়াইয়ে শেষ হাসি হাসলেন সাকিব। মাশরাফির রংপুর রাইডার্সকে ৫ উইকেট আর ২০ বল হাতে রেখেই হারিয়ে দিয়েছে তার দল ঢাকা ডায়নামাইটস, নাম লিখিয়েছে ফাইনালে। আর তাতেই বিদায় হয়ে গেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রংপুরের।

ফাইনালে উঠার ম্যাচে ঢাকার সামনে লক্ষ্যটা খুব বড় ছিল না, ১৪৩ রানের। তবে তাদের শুরুটা ছিল অস্বস্তিতে। ইনিংসের প্রথম ওভারেই বল হাতে নিয়ে উপুল থারাঙ্গাকে (৪) সাজঘর দেখিয়ে দেন মাশরাফি। এরপর ঝড় তুলতে যাওয়া সুনিল নারিন (৮ বলে ১৪) ফিরেন নাজমুল অপুর শিকার হয়ে। ২ উইকেট হারালেও ৪ ওভারেই তখন ৪১ রান উঠে গেছে ঢাকার।

মাঝের সময়টায় দলকে ভরসা দিয়েছেন সাকিব আল হাসান আর রনি তালুকদার। ২০ বলে ২৩ করে সাকিব দুর্ভাগ্যজনকভাবে বোল্ড হন, বেনি হাওয়েলের বলটা গায়ে লেগে স্ট্যাম্প ভেঙে দেয় ঢাকা অধিনায়কের।

এরপর একাদশতম ওভারে এসে কাইরন পোলার্ডকে (৮ বলে ১৪) উইকেটের পেছনে ক্যাচ বানান মাশরাফি। ওই ওভারেরই শেষ বলে দুর্ভাগ্যের শিকার ব্যাটিংয়ে ঝড় তোলা রনি তালুকদার। নুরুল হাসান সোহানের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে তিনি আউট হন ২৪ বলে ৪ বাউন্ডারিতে ৩৫ রান করে।

৯৭ রানে ৫ উইকেট হারানো ঢাকাকে এরপর টেনে নেয়ার দায়িত্বটা কাঁধে তুলে নেন আন্দ্রে রাসেল। নাজমুল অপুর ১৭তম ওভারে টানা তিন বলে তিন ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছেড়েছেন ক্যারিবীয় এই অলরাউন্ডার। মাত্র ১৯ বলে ৫ ছক্কায় ৪৯ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।

এর আগে ঢাকার বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ইনিংসের ৩ বল বাকি থাকতে ১৪২ রানেই গুটিয়ে যায় রংপুর রাইডার্সের ইনিংস।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চমক রংপুর রাইডার্সের। ওপেনিংয়ে ক্রিস গেইলের সঙ্গে চলে আসেন এবারের বিপিএলে এক ম্যাচও না খেলা নাদিফ চৌধুরী। যে চমকের জন্য নাদিফকে ওপেনিংয়ে আনা, সেটিতে তিনি সফলই বলতে হবে।

মাত্র ১২ বলে ২ বাউন্ডারি আর ৩ ছক্কায় ২৭ রানের এক ঝড়ো ইনিংস খেলে শুভাগতহোমের শিকার হন নাদিফ। ওই ওভারেই শুভাগতকে টানা তিন বলে তিনটি ছক্কা মেরেছিলেন মানিকগঞ্জের এই ক্রিকেটার।

পরের ওভারে জোড়া ধাক্কা রুবেল হোসেনের। ওভারের প্রথম বলে তিনি তুলে নেন খোলস ছেড়ে বের হয়ে আসতে থাকা গেইলকে। ১৩ বলে ২ ছক্কায় ১৫ রান করে উইকেটের পেছনে ক্যাচ হন ক্যারিবীয় ব্যাটিং দানব। পরের বলে ধারাবাহিকতার প্রতিমূর্তি রাইলি রুশোকে (০) পোলার্ডের ক্যাচ বানান রুবেল। ৪২ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে তখন ধুঁকছে রংপুর।

চতুর্থ উইকেটে রবি বোপারাকে নিয়ে ৬৪ রানের জুটিতে সে বিপদ সামলে উঠেন মোহাম্মদ মিঠুন। কাজী অনিকের দুর্দান্ত সুইংয়ে উইকেটরক্ষক সোহানের হাতে ক্যাচ দেয়ার আগে ২৭ বলে ২টি করে চার ছক্কায় মিঠুন খেলেন ৩৮ রানের এক ইনিংস।

এরপর বেনি হাওয়েল (৩), মাশরাফি (০), নাহিদুল ইসলাম (৪), ফরহাদ রেজারা (২) দলের জন্য কিছু করতে পারেননি। একটা প্রান্ত ধরে ছিলেন রবি বোপারা। ইনিংসের তিন বল বাকি থাকতে তিনি আউট হন ৪৯ রানে (৪৩ বলে ৬ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায়), সেখানেই থামে রংপুর।

ঢাকার পক্ষে সবচেয়ে সফল ছিলেন রুবেল হোসেন। ২৩ রান খরচায় ৪টি উইকেট নেন তিনি। ২টি করে উইকেট নেন কাজী অনিক আর আন্দ্রে রাসেল।

লুইসের ব্যাটে বিপিএলের ফাইনালে কুমিল্লা

রংপুর রাইডার্সকে ৮ উইকেটে হারিয়ে বিপিএল ষষ্ঠ আসরের ফাইনালে উঠে গেল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। দলের হয়ে ৫৩ বলে ৭১ রানের ম্যাচ জয়ী ইনিংস খেলেন কুমিল্লার ক্যারিবীয় ওপেনার ইভিন লুইস। এছাড়া ৩৯ রান করেন এনামুল হক বিজয়। ইনিংসের শেষ দিকে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৫ বলে অপরাজিত ৩৪ রান করে দলের জয় নিশ্চিত করেন শামসুর রহমান শুভ।

তবে এই পরাজয়ের পরও আরেকটি সুযোগ থাকল মাশরাফি বিন মুর্তজার নেতৃত্বাধীন রংপুর রাইডার্সের সামনে। আগামী বুধবার দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচে মুখোমুখি হবে রংপুর ও ঢাকা ডায়নামাইটস। সেই ম্যাচে যারা জিতবে তারা শুক্রবার কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে ফাইনাল খেলবে।

জিতলেই সরাসরি ফাইনালে। এমন সমীকরণের ম্যাচে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫ উইকেটে ১৬৫ রান সংগ্রহ করে রংপুর রাইডার্স। দলের হয়ে ২৮ বলে পাঁচটি ছয় এবং তিনটি চারের সাহায্যে সর্বোচ্চ ৫৩ রান করেন বেনি হাওয়েল। এছাড়া ৪৬ ও ৪৪ রান করেন ক্রিস গেইল ও রাইলি রশো। টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৭ বল হাতে রেখে ৮ উইকেটের জয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে কুমিল্লা।

সোমবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ১৭ রানেই ওপেনার মেহেদি মারুফের উইকেট হারায় রংপুর। এরপর ভুল বোঝাবুঝির কারণে রান আউট হয়ে ফেরেন মোহাম্মদ মিঠুন।

ক্রিকেটীয় নিয়মে এক বলে দুই ব্যাটসম্যানের আউটের বিধান নেই। থাকলে তাই হত! সঞ্জিত সাহার এক বলেই রান আউট হন রংপুর রাইডার্সের দুই ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ মিঠুন ও ক্রিস গেইল।

ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে সঞ্জিতের শর্ট অপ লেন্থ বলে স্কয়ার লেগে ঠেলে দিয়ে সিঙ্গেল নেয়ার চেষ্টা করেন রংপুরের দুই ব্যাটসম্যান গেইল ও মিঠুন। উইকেটের মাঝ পথে গিয়ে দু’জনই ভুল বোঝাবুঝির কারণে রান নেবেন কি নেবেন না এটা ভেবে থেমে যান। আবার দৌড় শুরু করেন।

ভুল বোঝাবুঝির কারণে প্রথমে রান আউট হন মিঠুন। তাৎক্ষণিক আউট নিশ্চিত না হতে পেরে অপর প্রান্তে বল থ্রো করেন উইকেটকিপার এনামুল হক বিজয়। ঐ প্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকা তামিম ইকবাল স্টাম্প ভেঙ্গে দেন। রিভিউতে দেখা যায় দুই প্রান্তেই মিঠুন এবং গেইল আউট হন। কিন্তু রীতি অনুযায়ী এক বলে একজনের আউটের রেওয়াজ থাকায় প্রথমে আউট হওয়া মিঠুনই সাজঘরে ফেরেন।

এদিন দুইবার লাইফ পেয়েও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি ক্রিস গেইল। ব্যক্তিগত ২৯ রানে সঞ্জিত সাহার বলে ভুল বোঝাবুঝির কারণে রান আউট থেকে বাঁচেন। ১০ম ওভারে আবারও সঞ্জিত সাহার বলে ডিপ স্কয়ার লেগে ক্যাচ তুলে দেন গেইল।

মেহেদী হাসানের কল্যাণে ৪৬ রানে দ্বিতীয় দফায় লাইফ পান। দুইবার লাইফ পেয়েও নিজের ইনিংসটা বড় করতে পারেননি। এরপর আর কোনো রান যোগ করার আগেই ক্যাচ ছেড়ে দেয়া মেহেদীর বলে আউট হন গেইল। সাজঘরে ফেরার আগে ৪৪ বলে ছয়টি চার ও এক ছক্কায় ৪৬ রান করেন রংপুরের এই তারকা ব্যাটসম্যান।

পাঁচ নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র ৩ রানে ফেরেন রবি বোপারা। পঞ্চম উইকেটে বেনি হাওয়েলকে সঙ্গে নিয়ে ৭০ রানের জুটি গড়েন রাইলি রুশো। ইনিংস শেষ হওয়ার ৭ বল আগে ক্যাচ তুলে ফেরেন রুশো। তার আগে ৩১ বলে চারটি চার ও দুটি ছক্কায় ৪৪ রান করেন। শেষ বল পর্যন্ত খেলে যাওয়া বেনি হাওয়েলের ২৮ বলের অপরাজিত ৫৩ রানে ভর করে ১৬৫ রান তুলতে সক্ষম হয় রংপুর রাইডার্স।

১৬৬ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। দলীয় ৩৫ রানে ফেরেন দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল।

এরপর তিনে ব্যাটিংয়ে নামা এনামুল হক বিজয়কে সঙ্গে নিয়ে ৯০ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে যান ইভিন লুইস। দলীয় ১২৫ রানে শফিউল ইসলামের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন এনামুল হক বিজয়। তার আগে ৩২ বলে দুই চার ও সমান ছক্কায় ৩৯ রান করেন বিজয়।

ইনিংসের শেষ দিকে ব্যাটিংয়ে নেমে একের পর এক বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন শামসুর রহমান শুভ। ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত খেলে যাওয়া ইভিন লুইস ৫৩ বলে তিন ছয় ও পাঁচটি চারের সাহায্যে ৭১ রানে অপরাজিত থাকেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

রংপুর রাইডার্স: ২০ ওভারে ১৬৫/৫ (হাওয়েল ৫৩*, গেইল ৪৬, রুশো ৪৪)।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স: ১৮.৫ ওভারে ১৬৬/২ (এভিন লুইস ৭১*,এনামুল হক ৩৯, শামসুর রহমান ৩৪*)।

ফল: কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ৮ উইকেটে জয়ী।

বিপিএলে ২৮ তম ম্যাচে সিলেট সিক্সার্সকে ২১ রানে হারাল খুলনা

বিপিএলে ২৮ তম ম্যাচে সিলেট সিক্সার্সকে ২১ রানে হারাল খুলনা টাইটান্স। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেট হারিয়ে নির্ধারিত ওভার শেষে ১৭০ রান তুলে মাহমুদউল্লাহর খুলনা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ১৪৯ রান।

এর আগে মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিং বেছে নেন সিলেটের অধিনায়ক সোহেল তানভীর।

ব্যাটিংয়ে নেমে ৬.৫ ওভারেই খুলনার দুই ওপেনার মিলে তুলে ফেলেন ৭৩ রান। ২৩ বলে ৬ চারে ৩৩ রান করে অলক কাপালির বলে তার হাতেই ক্যাচ দিয়ে জুনায়েদ বিদায় নিলে সমাপ্তি ঘটে এই জুটির। এরপরই খেই হারিয়ে ফেলে খুলনা ইনিংস।

দলীয় ৩ রান যোগ হতেই আউট হয়ে ফেরেন আল-আমিন। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট খুইয়ে বিপাকে পড়ে যায় রিয়াদের দল। খুলনার আরেক ওপেনার ব্র্যান্ডন টেইলরের ব্যাট আসে সর্বোচ্চ ৪৮ রান। ৩১ বলের এই ইনিংসে চারের মার ৪টি আর ছক্কার মার ২টি।

শেষদিকে খুলনার ইনিংসের হাল ধরে দলকে ১৭০ রানের সংগ্রহ এনে দেন ডেভিড ওয়েইসি। ২৫ বল খেলে ২ চার ও  ২ ছক্কায় ৩৮ রান করে তাসকিনের শিকার হয়ে ফেরেন এই অলরাউন্ডার।

বল হাতে স্পিন ঘূর্ণির পসরা সাজিয়ে ৪ ওভারে মাত্র ২২ রান খরচে ৪ উইকেট তুলে নিয়েছেন অলক কাপালি। ২টি করে উইকেট ঝুলিতে পুরেছেন তাসকিন আহমেদ ও মোহম্মদ নওয়াজ।

কাতার বিশ্বকাপ হবে ৪৮ দলের

১৯৯৮ সাল থেকে বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে ৩২ দল। এই সংখ্যা ২০২৬ সালের আসরে ৪৮-এ উন্নীত করার পরিকল্পনা থাকলেও ২০২২ সালের আসরেই তা বাস্তবায়ন করতে চাইছে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

রাশিয়া বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর থেকেই শোনা যাচ্ছিল কাতার বিশ্বকাপ হবে ৪৮ দলের। এমন গুঞ্জন নিয়ে আয়োজক কমিটি এত দিন সরাসরি কিছু না বললেও গত বৃহস্পতিবার ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো জানালেন, কাতারে অনুষ্ঠেয় ২০২২ বিশ্বকাপেই ৪৮ দলের অংশগ্রহণ দেখা যেতে পারে।

মরক্কোর শহর মারাকেচে ফিফার এক সভায় ইনফান্তিনো বলেন, ‘কাতারিরা এই (৪৮ দলের বিশ্বকাপ) আইডিয়া নিয়ে কাজ করছে। তারা এটা নিয়ে ইতিবাচক। ফেডারেশনের প্রায় সবাই এটাকে সাপোর্ট করছেন। তবে আপনাকে এটা দেখতে হবে যে সাংগঠনিক পর্যায়ে এর সম্ভাব্যতা কতটা।’

তিনি আরো বলেন, ‘অবশ্যই, শুধু কাতারে ৪৮ দলের বিশ্বকাপ আয়োজন সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে পার্শ্ববর্তী কোনো দেশের সহায়তা নিতে হতে পারে।’

কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের অধিকাংশ দেশের সঙ্গে কাতারের রাজনৈতিক সম্পর্ক এখন তলানিতে।  ২০১৭ সালের জুন থেকে সাবেক বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইনসহ ৬ আরব রাষ্ট্র কাতারের ওপর কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করে রেখেছে। এমন পরিস্থিতে পার্শ্ববর্তী দেশের সহায়তা কিভাবে পাবে কাতার- এ প্রশ্নের জবাবে ইনফান্তিনো বলেন, ‘আমরা ফুটবল নিয়ে আছি, রাজনীতি নয়। আমরা দেখব কি করা যায়।’

ফুটবল বিশ্বকাপের পাশাপাশি ক্লাব বিশ্বকাপকেও আরো বেশি অংশগ্রহণমূলক করার আগ্রহের কথাও জানান ফিফা প্রধান। তিনি বলেন, ‘আমরা এটাকেও (ক্লাব বিশ্বকাপ) সত্যিকার অর্থে বিশ্বকাপ বানাতে চাই, যেখানে সব মহাদেশ থেকে ২৪টি দল অংশ নেবে। সেরা ক্লাবের প্রায় সবই ইউরোপে অবস্থিত। কিন্তু আমাদের সারা পৃথিবী থেকেই দল প্রয়োজন।’

প্রথম পর্ব শেষে বিপিএলের পয়েন্ট টেবিল

শেষ হয়েছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) ঢাকার প্রথম পর্ব। এক দিনের বিরতি দিয়ে ১৫ জানুয়ারি থেকে সিলেটে শুরু হবে দ্বিতীয় পর্ব।

প্রথম পর্বে শতভাগ সফলতা দেখিয়ে শীর্ষস্থান দখল করেছে ঢাকা ডায়নামাইটস। দলগত পারফরম্যান্সে সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বে প্রথম পর্বে চারটি ম্যাচ খেলে ঢাকা। আর প্রতিটি ম্যাচে দাপটের সঙ্গে জয় তুলে নেয় তারা।

ভালো অবস্থানে আছে চিটাগং ভাইকিংসও। চার ম্যাচের তিনটিতে জয় ও একটি হারে রয়েছে টেবিলের দুইয়ে।

রংপুর রাইডার্স আছে তালিকার তিনে। পাঁচ ম্যাচের দুটি জয়ের বিপরীতে তিনটিতে হেরেছে মাশরাফি বিন মর্তুজার ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন এই দল।

চারে রয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। চার ম্যাচ খেলে দুটি জয় ও সমান দুটিতে হেরেছে তামিম-ইমরুলরা।

কুমিল্লার মতো ঠিক একই পরিসংখ্যান রাজশাহী কিংসের। তবে নেট রান রেটে পিছিয়ে পাঁচে রয়েছে মেহেদি হাসান মিরাজের দল।

ছয় নম্বরে থাকা সিলেট সিক্সার্স তিন ম্যাচে একটি জয়ের বিপরীতে হেরেছে দুটিতে।

তবে সবচেয়ে নাকাল অবস্থান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের খুলনা টাইটান্সের। চার ম্যাচ খেলে সবকটিতেই হার দেখেছে তারা। ফলে টেবিলের একেবারে তলানিতে তাদের অবস্থান।

পর্দা উঠছে বিপিএলের

 শেষ বিকালে ড্রোন-ক্যামেরায় মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়াম ও আশপাশের নিরাপত্তা বেষ্টনী পরিদর্শন করা হয়। আজ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ষষ্ঠ আসর মাঠে গড়াচ্ছে। তবে নিরাপত্তার বাড়াবাড়ি ছাড়া বিপিএলের এই আসর নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিকতা থাকছে না। যদিও আগের পাঁচ আসরের তুলনায় এবার বড় তারকার অংশ বেশি। ক্রিস গেইল, আন্দ্রে রাসেল, কাইরন পোলার্ডদের সঙ্গে এবার থাকছে এবি ডি ভিলিয়ার্স, ডেভিড ওয়ার্নার, স্টিভ স্মিথের মতো তারকা। আজ চ্যাম্পিয়ন রংপুর রাইডার্স ও চিটাগাং ভাইকিংসের ম্যাচ দিয়ে মাঠে গড়াবে বিপিএল। প্রথম দিনে দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় ম্যাচে ঢাকা ডায়নামাইটস মুখোমুখি রাজশাহী কিংসের।

জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর আজ প্রথমবারের মতো খেলতে নামছেন মাশরাফি। তার প্রতিপক্ষ মিস্টার ডিপেন্ডেবল মুশফিকুর রহিমের ভাইকিংস। তবে সপ্তাহখানেক আগে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও খেলার মাঠে রাজনীতিকে টেনে আনছেন না নড়াইল এক্সপ্রেস। তিনি আপাতত রাজনীতি ভুলে ক্রিকেট নিয়েই মেতে থাকতে চাচ্ছেন। খেলার মাঠে কেবল খেলোয়াড় পরিচয়েই তিনি গর্বিত, ‘অন্য সময় যেভাবে খেলি, সেভাবেই খেলব।  খেলোয়াড় হিসেবেই এখানে আমি পরিচিত এবং মাঠেও নামছি খেলোয়াড় হিসেবে, সংসদ সদস্য হিসেবে নয়। আমি আশা করি আপনারা সবাই আমাকে সেভাবেই দেখবেন।’ এবারও রংপুরের হয়ে শিরোপা জিততে চান মাশরাফি। মুশফিকের দলের বিরুদ্ধে লড়াইটা হাড্ডাহাড্ডি হবে বলে মনে করেন রাইডার্স ক্যাপ্টেন। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী ভাইকিংসও। দলপতি মুশফিক বলেন, ‘আমাদের দলটা কাগজে-কলমে হয়তো ততটা শক্তিশালী নয়, তবে টি-২০তে যে কোনো দলই জিততে পারে। নির্দিষ্ট দিনে যারা ভালো  খেলবে তারাই জিতবে।’ রংপুর বনাম চট্টগ্রাম ম্যাচটি শুরু হবে বেলা সাড়ে ১২টায়। দ্বিতীয় ম্যাচটি শুরু হবে সন্ধ্যা ৫টা ২০ মিনিটে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে সাকিব আল হাসানের ঢাকা ডায়নামাইটস ও মেহেদী হাসান মিরাজের রাজশাহী কিংস। বিপিএলে সবচেয়ে বেশি শিরোপা জিতেছে ঢাকা। তা ছাড়া বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের নেতৃত্বে দলে সুপারস্টারে ভরপুর ডায়নামাইটস। তবে ছেড়ে কথা বলবে না কিংসও। তবে প্রথম ম্যাচে জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে খেলবে সব দলই।

যেসব চ্যানেলে বিপিএল দেখা যাবে

৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ষষ্ঠ আসর। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে ২০১৮ সালের এই আসর অনুষ্ঠিত হচ্ছে ২০১৯ সালে এসে। রংপুর রাইডার্স বনাম চিটাগং ভাইকিংসের ম্যাচের মধ্য দিয়ে শুরু হবে আসর। ৮ ফেব্রুয়ারি ফাইনালের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে এই আসরের।

বিপিএলে অংশ নিচ্ছে সাতটি দল, ঢাকা ডায়নামাইটস, রংপুর রাইডার্স, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স, খুলনা টাইটান্স, রাজশাহী কিংস, চিটাগং ভাইকিংস এবং সিলেট সিক্সার্স। খেলা হবে তিনটি ভেন্যুতে, মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম, চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম এবং সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম।

এদিকে বিপিএলের গতবারের আসর বাংলাদেশে শুধুমাত্র গাজী টিভিতে (জিটিভি) সম্প্রচার হলেও এবারের আসরে যুক্ত হয়েছে মাছরাঙ্গা টিভি। শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বের নানা প্রান্তে বিপিএল ছড়িয়ে যাবে বিদেশি স্পোর্টস চ্যানেলের মাধ্যমে।

যেসব চ্যানেলে দেখাবে বিপিএল:

বাংলাদেশ
জিটিভি, মাছরাঙ্গা
আফগানিস্তান
লেমার টিভি
ক্যারিবীয়ান দেশসমূহ
ফ্লো টিভি
মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা
ক্রিক ইন জিপ
পাকিস্তান
জিও সুপার
দক্ষিণ আফ্রিকা ও আফ্রিকা মহাদেশ
স্টার টাইম
দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, চীন, রাশিয়া
টিকন সিস্টেম লি:
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে
স্পোর্টস ফিক্স
যুক্তরাজ্য
ফ্রি স্পোর্টস, স্টার গোল্ড, হট-স্টার
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
উইলো, হট-স্টার

বিপিএলষষ্ঠ আসর মাঠে গড়াবে ৫ জানুয়ারি

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ষষ্ঠ আসর মাঠে গড়াবে ৫ জানুয়ারি। এরমধ্যেই অনুশীলনে নেমে গেছে অংশগ্রহণকারী ৭টি দল। আসা শুরু করেছে বিভিন্ন দেশের ক্রিকেটাররা। সব মিলিয়ে একটা সাজ সাজ রব দেখা দিয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেটে।

বিপিএলের এই আসরে প্রথমবারের মতো দুই অস্ট্রেলিয়ান তারকা স্টিভ স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নার যোগ দিচ্ছেন। এছাড়া আরো আছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান এবি ডিভিলিয়ার্সও। এবার বিপিএল অনুষ্ঠিত হবে তিন ভেন্যুতে। ৫- ১৩ জানুয়ারি প্রথম পর্ব মিরপুরে, ১৫-১৯ জানুয়ারি দ্বিতীয় পর্ব সিলেটে, ২১-২৩ জানুয়ারি তৃতীয় পর্ব মিরপুরে, ২৫-৩০ জানুয়ারি চতুর্থ পর্ব চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে। টুর্নামেন্টের বাকি সব ম্যাচ মিরপুরে অনুষ্ঠিত হবে। এবার দেখে নেওয়া যাক বিপিএলের দলগুলো।

ঢাকা ডায়নামাইটস:

দেশি ক্রিকেটার: সাকিব আল হাসান, শুভাগত হোম, রনি তালুকদার, নুরুল হাসান সোহান, রুবেল হোসেন, শাহাদাত হোসেন রাজীব, কাজী অনিক, মিজানুর রহমান, আসিফ হাসান ও নাইম শেখ।

বিদেশি ক্রিকেটার: সুনিল নারিন, আন্দ্রে রাসেল, রোভম্যান পাওয়েল, কাইরন পোলার্ড, হজরত উল্লাহ জাজাই, অ্যান্ড্র বার্জ এবং ইয়ান বেল।

রংপুর রাইডার্স:

দেশি ক্রিকেটার: মাশরাফি বিন মুর্তজা (আইকন), মোহাম্মদ মিঠুন, নাজমুল ইসলাম অপু, শফিউল ইসলাম, ফরহাদ রেজা, সোহাগ গাজী, মেহেদি মারুফ, ফারদিন হোসেন এনি, নাহিদুল ইসলাম, আবুল হাসান রাজু ও নাদিফ চৌধুরী।

বিদেশি ক্রিকেটার: ক্রিস গেইল, এবি ডি ভিলিয়ার্স, রবি বোপারা, অ্যালেক্স হেলস, রিলে রুশো, শেন উইলিয়ামস, বেনি হাওয়েল ও শেলডন কটরেল।

সিলেট সিক্সার্স:

দেশি ক্রিকেটার: লিটন দাস (আইকন), সাব্বির রহমান, তাসকিন আহমেদ, নাসির হোসেন, আফিফ হোসেন ধ্রুব, মোহাম্মদ আল আমিন হোসেন, তৌহিদ হৃদয়, নাবিল সামাদ, এবাদত হোসেন, অলক কাপালি, জাকির আলী ও মেহেদি হাসান রানা।

বিদেশি ক্রিকেটার: ডেভিড ওয়ার্নার, সোহেল তানভির, ফ্যাবিয়ান অ্যালেন, সন্দীপ লামিচানে, মোহাম্মদ ইরফান, গুলবাদিন নাইব, আন্দ্রে ফ্লেচার, প্যাট ব্রাউন, নিকোলাস পুরান।

চিটাগং ভাইকিংস:

দেশি ক্রিকেটার: মুশফিকুর রহিম (আইকন), আবু জায়েদ রাহী, মোহাম্মদ আশরাফুল, মোসাদ্দেক হোসেন, নাঈম হাসান, খালেদ আহমেদ, সানজামুল ইসলাম, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, রবিউল হক, ইয়াসির আলী চৌধুরী রাব্বি, নিহাদুজ্জামান এবং সাদমান ইসলাম।

বিদেশি ক্রিকেটার: সিকান্দার রাজা, লুক রঙ্কি, রবি ফ্রাইলিংক, নজিবুল্লাহ জাদরান, ক্যামেরন ডেলপোর্ট, দাসুন সানাকা ও নাজিবুল্লাহ জাদরান।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস:

দেশি ক্রিকেটার: তামিম ইকবাল (আইকন), এনামুল হক, আবু হায়দার, ইমরুল কায়েস, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মেহেদি হাসান, জিয়াউর রহমান, মোশরারফ হোসেন রুবেল, মোহাম্মদ শহীদ, শামসুর রহমান শুভ ও সঞ্জিত সাহা।

বিদেশি ক্রিকেটার: স্টিভ স্মিথ, শহীদ আফ্রিদি, শোয়েব মালিক, এভিন লুইস, থিসারা পেরেরা, অ্যাসেলা গুনারত্নে, লিয়াম ডসন, ওয়াকার সালমা খাই, আমের ইয়ামিন।

রাজশাহী কিংস:

দেশি ক্রিকেটার: মুস্তাফিজুর রহমান (আইকন), মুমিনুল হক, মেহেদি হাসান মিরাজ, সৌম্য সরকার, জাকির হাসান, আলাউদ্দিন বাবু, আরাফাত সানি, ফজলে রাব্বি,মার্শাল আইয়ুব, কামরুল ইসলাম রাব্বি।

বিদেশি ক্রিকেটার: মোহাম্মদ হাফিজ, ক্রিস্টিয়ান জাঙ্কার, লরি ইভেনস, ইসুরু উদানা, রায়ান টেন ডেসকাট, কাইস আহমেদ, সেকুগে প্রশন্ন।

খুলনা টাইটানস:

দেশি ক্রিকেটার: মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (আইকন), নাজমুল হোসেন শান্ত, আরিফুল হক, মোহাম্মদ আল আমিন, তাইজুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, জহুরুল ইসলাম অমি, জহির খান, শুভাশিষ রায়, জুনায়েদ সিদ্দিকী, তানভীর ইসলাম এবং মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন।

বিদেশি ক্রিকেটার: কার্লোস ব্র্যাথওয়েট, লাসিথ মালিঙ্গা, ডেভিড মালান, আলী খান, সেলফেইন রাদারাফোর্ড, ইয়াসির শাহ ও ব্রেন্ডন টেলর।

আইসিসির কাছ থেকে উপহারের বদলে যেনো দুঃসংবাদই পেলো বাংলাদেশ

নতুন বছরের প্রথম দিনে আইসিসির কাছ থেকে উপহারের বদলে যেনো দুঃসংবাদই পেলো বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। তবে এতে অবশ্য দায়টা নিজেদেরই। কেননা আইসিসির বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ঠিক ততোটা উন্নতি করতে পারেনি বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।

যে কারণে ২০২০ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি মূলপর্বে খেলতে পারবে না সাকিব আল হাসানের দল। অস্ট্রেলিয়ায় হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এ আসরে আইসিসির নতুন ফরম্যাট অনুযায়ী মূলপর্ব অনুষ্ঠিত হবে ১২ দল নিয়ে।

যেখানে সরাসরি খেলার সুযোগ পাবে র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষ ৮ দল। বর্তমান টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ে ১০ নম্বরে থাকায় কপাল পুড়েছে টাইগারদের। নয় নম্বরে থাকা শ্রীলঙ্কার সাথে বাংলাদেশকেও খেলতে হবে মূলপর্বে খেলার বাছাইপর্ব।

২০১৮ সালের র‍্যাংকিং অনুযায়ী টি-টোয়েন্টির শীর্ষ আট দল পাকিস্তান, ভারত, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আফগানিস্তান। এই ৮ দলই সরাসরি খেলবে মূল পর্বে।

টুর্নামেন্টের মূল পর্ব অনুষ্ঠিত হবে ১২ দল নিয়ে। যেখানের বাকি ৪ দল নির্ধারিত হবে গ্রুপ পর্বের খেলার পরে। এই গ্রুপ পর্ব অনুষ্ঠিত হবে ৮ দল নিয়ে। গ্রুপ পর্বের জন্য বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা ব্যতীত বাকি ছয় দল বাছাই করা হবে ২০১৯ সালে হতে যাওয়া বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের মাধ্যমে।

সরাসরি বিশ্বকাপ খেলতে না পারায় হতাশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ও শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক লাসিথ মালিঙ্গা। তবে টাইগার অধিনায়কের দৃঢ় বিশ্বাস, গ্রুপ পর্ব খেলতে হলেও সেখানে জিতে মূল পর্বেও চমক দেখাবে তার দল।

আইসিসিকে দেয়া প্রতিক্রিয়ায় সাকিব বলেন, ‘এটা হতাশাজনক যে আমরা সেরা ১২ তথা মূল পর্বে জায়গা পাইনি। তবে আমি আত্মবিশ্বাসী গ্রুপ পর্ব পার করে টুর্নামেন্টের মূল পর্বেও ভালো খেলবো আমরা। নিজেদের দিনে আমরা যে কাউকে হারানোর সামর্থ্য রাখি এবং টুর্নামেন্টে ভালো না করার কোনো কারণ দেখছি না আমি।’

২০১৮ সালের ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটি থেকে সিরিজ জেতার সুখস্মৃতির কথা মনে করিয়ে দিয়ে সাকিব আরও বলেন, ‘আমাদের এখনো সময় আছে হাতে, বিশ্বকাপের আগের সময়ের সেরা ব্যবহারই করতে হবে আমাদের। খুব বেশিদিন আগের কথা নয়, ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে গিয়ে আমরা টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে এসেছি। সে সিরিজের পারফরম্যান্স আমাদের অনেক বিশ্বাস জুগিয়েছে যে আমরাও বিশ ওভারের ক্রিকেটে ভালো খেলতে পারি।’

সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ

প্রতিপক্ষ যখন ওয়েস্ট ইন্ডিজ, তখন বাংলাদেশের বোলারদের সমস্যার দিকটি আবার একদিক থেকে সুবিধারও। সুবিধার বলেই বেদম মার খাওয়ার পরও পাল্টা চড়ে বসার সুযোগ থাকে।

সুযোগ থাকল বাঁচা-মরার ম্যাচেও। এই ম্যাচে যেমন বেদম মার খেলেন মুস্তাফিজুর রহমান। এক ওভারেই খরচ করলেন ২৪ রান। এক সাকিব আল হাসান বাদে তাঁর সঙ্গে অল্পবিস্তর মার হজম করতে হলো অন্য বোলারদেরও। যাঁরা মারলেন, সেই ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যানদের বৈশিষ্ট্যই হলো তাঁদের মারে ঝুঁকিও থাকে। মারতে মারতে তৈরি হওয়া আউটের সুযোগগুলো কাজে লাগানোর মধ্যেই লুকিয়ে ছিল বাংলাদেশের জয়ের সূত্র।

সেই সূত্রও কাল ফিল্ডাররা মেলালেন ঠিকঠাক। একের পর এক ক্যাচ উঠল; কিন্তু পড়ল না। নিয়মিত বিরতিতে আসতে থাকা সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশও ফিরল সিরিজে। ৩৬ রানের জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে সমতা ফেরানোর দিনটি ‘মধ্যমণি’ অধিনায়ক সাকিবের জন্য আবার বিশেষ দিনও। এ ম্যাচে নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে নতুন রেকর্ড গড়ার মতো অনেক কিছুই তো যোগ হলো তাঁর অর্জনের ভারেই শুধু মোটা হতে থাকা খাতায়।

সেই খাতায় আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ম্যাচে ৫ উইকেট ছিল না আগে। ২০১৬-র টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপে ওমানের বিপক্ষে ১৫ রানে ৪ উইকেট নেওয়াই এত দিন এই ফরম্যাটে তাঁর সেরা বোলিং ছিল। কাল ফ্যাবিয়ান অ্যালেনকে বোল্ড করে নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়া সাকিবের ২১ রানে ৫ শিকার দেশের মাটিতে কোনো বাংলাদেশির সেরা টি-টোয়েন্টি বোলিংও। সব মিলিয়ে সেরা বোলিং অবশ্য ২০১২-র আয়ারল্যান্ড সফরে বেলফাস্টে আইরিশদের বিপক্ষে ১৩ রানে ৫ উইকেট নেওয়া বাঁহাতি স্পিনার ইলিয়াস সানিরই।

তবে অর্জনে-রেকর্ডে অনেক দিন থেকেই আর দেশের গণ্ডিতে সীমিত হয়ে নেই সাকিব। কাল তাঁর হাত ধরে বৈশ্বিক এক রেকর্ডের নতুন পাতাও তো খোলা হয়ে গেল। দেশের মাটিতে টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ২১১ রান করার পথে ব্যাট হাতেও তো ২৬ বলে ৪২ রানের হার না মানা অবদান আছে তাঁর। এর সঙ্গে ৫ শিকার যোগ হয়ে অনন্য এক রেকর্ডও হয়ে গেল। বাংলাদেশ অধিনায়ক বনে গেলেন ক্রিকেট ইতিহাসের প্রথম অলরাউন্ডার, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে যিনি চল্লিশোর্ধ্ব ইনিংস খেলার পাশাপাশি নিয়েছেন ৫ উইকেটও। টেস্টেও ৫ উইকেট নেওয়ার কীর্তি তাঁর আছে ১৮ বার, ওয়ানডেতে একবার। এবার টি-টোয়েন্টির ‘প্রথম’ তাঁকে বানিয়ে দিল ইতিহাসের অষ্টম বোলার, তিন ফরম্যাটেই যাঁর ৫ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব আছে।

এক ম্যাচেই এত কিছু! সিরিজ জেতার সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখতে তাঁর সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার দিন স্বাগতিকরা চেয়েছিল আগের ম্যাচের ভুল থেকে বের হতেও। তাঁরা বের হলোও। কিন্তু এ দিনেই আবার ভুলের মহোৎসব করলেন দুই বাংলাদেশি ফিল্ড আম্পায়ার গাজী সোহেল ও তানভীর আহমেদ। এভিন লুইস ও শিমরন হেটমায়ারের ব্যাটে বল লাগার পরও তাঁদের বিপক্ষে এলবিডাব্লিউর আবেদনে সাড়া দেওয়ার ভুল করেছেন তাঁরা। ওই দুজন রিভিউ নিয়ে সেই যাত্রায় বেঁচেছেন। অবশ্য আম্পায়ারদের ভুলের সুবিধাভোগী হিসেবে দিনের শেষে সাকিবের নামটিও আসছে।

মাহমুদ উল্লাহর (২১ বলে ৭ বাউন্ডারিতে অপরাজিত ৪৩) সঙ্গে তাঁর গড়া অবিচ্ছিন্ন ৯১ রানের পার্টনারশিপটি টি-টোয়েন্টিতে পঞ্চম উইকেটে বাংলাদেশের সেরা। সেটি গড়ার পথেই ২০ রানে থাকা সাকিব প্রতিপক্ষ অধিনায়ক কার্লোস ব্রাথওয়েটের অফস্টাম্পের বেশ বাইরের বলে চালাতে গিয়েছিলেন। বল ব্যাটেও লেগেছিল, উইকেটরক্ষকের গ্লাভসেও জমা পড়েছিল। আশ্চর্যজনকভাবে ক্যারিবীয়রাও আবেদন করেনি। আরো আশ্চর্যজনক যে আম্পায়ার গাজী সোহেল তাতে ওয়াইড বলের সংকেত দেন!

সাকিবের ইনিংস তাতে আরো বড় হয়। আরো ২২টি রান যোগ হয়। যা যোগ না হলে বাংলাদেশের ইনিংস হয়তো প্রথমবারের মতো দেশের মাটিতে ২০০-ও পেরোয় না! সিরিজে ফেরার জন্য এমন বড় ইনিংসের চাহিদার দিনে ভিত্তিটা দিলেন লিটন কুমার দাশ। যাঁর ব্যাটিংয়ের বৈশিষ্ট্যই হলো এটা যে ভীষণ অধারাবাহিক এ ব্যাটসম্যান নিজের দিনে প্রতিপক্ষের বোলারদের ছারখার করে দেবেন। যা দিয়েছিলেন নিজেদের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে ফ্লোরিডায় সিরিজ নির্ধারণী টি-টোয়েন্টির দিনও। ৩১ বলে ৬২ রানের ইনিংসে ম্যাচভাগ্য গড়ে দিয়েছিলেন। সেবার ২৪ বলে ফিফটি করা লিটন কাল তাতে পৌঁছলেন ২৬ বলে। শেষ পর্যন্ত ৩৪ বলে ৬ বাউন্ডারি ও ৪ ছক্কায় ৬০ রানের ইনিংসে শুরুর ছন্দটা ধরে দিয়ে যাওয়ার পর বাকি কাজ সারলেন সাকিব-মাহমুদ উল্লাহ।

এরপর ক্যারিবীয়দের রান তাড়ায় বেদম মার হজম করলেন বোলাররা। কিন্তু মারতে মারতে প্রচুর সুযোগও দিলেন ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যানরা। সেগুলো ঠিকঠাক কাজে লাগানোর দিনে টপাটপ উইকেট তুলে নেওয়া সাকিবের নতুন রেকর্ড গড়া সিরিজেও ফেরাল বাংলাদেশকে!

মাশরাফিকে দেখলেই এখন ‘নৌকা’ ‘নৌকা’ স্লোগান

মাশরাফি বিন মুর্তজা মাঠে থাকবেন আর গ্যালারিতে দর্শকরা চিৎকার করবেন না এটা হতেই পারে না। দেশের জনপ্রিয় এই অধিনায়কের ছোঁয়া পেতে মাঠে পর্যন্ত দর্শক ঢুকে যায়। এতিদন গ্যালারিতে ‘ম্যাশ’ কিংবা ‘মাশরাফি’ তালে তালে ধ্বনিত হতো। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পাল্টে গেছে মাশরাফিকে নিয়ে স্লোগান। বল হাতে মাশরাফিকে দেখলেই শের-ই-বাংলায় স্লোগান উঠল ‘নৌকা’ ‘নৌকা’….। যদিও এই স্লোগান নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজী হননি ক্রিকেটে মজে থাকা অধিনায়ক।

মাশরাফি এখন শুধু জাতীয় ওয়ানডে দলের অধিনায়কই নন; তিনি জাতীয় রাজনীতির হবু নেতাও বটে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের হয়ে রাজনীতিতে নাম লিখিয়েছেন। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লড়বেন নিজ এলাকা নড়াইল-২ আসনে। মাশরাফি বিন মুর্তজাকে দেখলে ‘নৌকা-নৌকা’ স্লোগান হওয়াটা অস্বাভাবিকও নয়। তবে বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়কের জন্য অবশ্য এই অভিজ্ঞতা একেবারেই নতুন। রাজনীতিতেও তো মাশরাফি একেবারে নতুন। সিরিজ শেষে শুরু করবেন নির্বাচনী প্রচার।

তিনি যখন বোলিং করতে এসেছেন; তখনই গ্যালারি থেকে ভেসে আসছিল ‘নৌকা’ স্লোগান। যা আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীক। রাজনীতিতে নেমে খেলায় ফোকাস রাখতে পারবেন কিনা এমন প্রশ্ন যখন সবখানে উঠছিল; তখনই রবিবার বল হাতে বিধ্বংসী হয়ে উঠলেন ম্যাশ। ১০ ওভারে ৩১ রান, এবং ৪১ ডট দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে বুঝিয়ে দিলেন, ক্রিকেটটাই তার কাছে আগে। তাই ম্যাচসেরার পুরস্কার নিয়ে ফিরছেন ড্রেসিংরুমের দিকে, অমনি গ্যালারিতে শুরু হয়ে গেলে ‘নৌকা’ ‘নৌকা’।

এই তো কয়দিন আগেও দলমত নির্বিশেষে সবাই তাকে ভালোবাসত। রাজনীতিতে নাম লেখানোর পর থেকেই এ দৃশ্য বদলে গেছে। তবু এমন পারফর্মেন্স করে ম্যাশ বলছেন, কাউকে জবাব দেওয়ার কিছু নেই তার, ‘না, জবাবের কী আছে? জবাব দেওয়ার কিছু নেই। খারাপ হলেই কথা বলত। ১৮ বছর ধরে খেলছি। এত সহজে মনোযোগ সরার কথা না। আমি আমার নিজেকে তো চিনি। গত কিছুদিন চেষ্টা করেছি বলটা যেখানে ফেলতে চাই সেখানে পড়ছে কিনা। এটাতে মনোযোগ দিয়ে যাচ্ছি। জবাব দেওয়ার কিছু নেই।’

সিলেটের নতুন অধিনায়ক ওয়ার্নার

বাংলাদেশি তারকা নাসির হোসেনকে সরিয়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ষষ্ঠ আসরে সিলেট সিক্সার্সের অধিনায়ক করা হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার তারকা ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নারকে।

শুক্রবার রাতে সিলেট সিক্সার্স-এর ভেরিফাইড ফেসবুকে পেজে নতুন অধিনায়ক হিসেবে তার নাম ঘোষণা করা হয়।ক্যাপশনে লিখেছে, নতুন অধিনায়ককে স্বাগত জানান। তিনি হচ্ছেন ডেভিড ওয়ার্নার।

আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে অধিনায়কত্ব করতে দেখা গেছে ওয়ার্নারকে। বল টেম্পারিংয়ের অভিযোগে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) আরোপিত ১ বছরের নিষেধাজ্ঞায় জাতীয় দলের বাইরে থাকার আগে অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলের সহ অধিনায়কও ছিলেন ওয়ার্নার। তবে নানাভাবে খেলার মধ্যে আছেন তিনি। বিপিএল খেলতে সমস্যা হবে না বাঁহাতি ওপেনারের।

ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ

আগামী ২০১৯ বিশ্বকাপের আসর বসবে ইংল্যান্ডে। এর আগে বাংলাদেশের খেলার কথা রয়েছে আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ। আজ সেটা নিশ্চিত করল আইসিসির ভবিষ্যৎ সফরসূচি (এফটিপি)।

যদিও আগে থেকে বলা হয়েছিল আয়ারল্যান্ড-বাংলাদেশের সঙ্গে তৃতীয় দল হিসেবে থাকবে আফগানিস্তান। কিন্তু আজ এফটিপি সূচিতে বলা হয়েছে তৃতীয় দল হিসেবে থাকছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
আগামী বছরের ৫ মে থেকে শুরু হবে এই সিরিজ, শেষ হবে ১৭ মে।।

গত বছর চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আগেও আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলেছিল বাংলাদেশ। সেখানে তৃতীয় দল হিসেবে ছিল নিউজিল্যান্ড।

সে সিরিজে দুর্দান্ত পারফর্ম করে সেই ধারাবাহিকতা দেখা গিয়েছিল চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতেও। এই সিরিজেও একটি করে ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে অন্য দুই দলের বিপক্ষে। আর যদি বাংলাদেশ ফাইনালে খেলে তাহলে একদলের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ খেলবে।

যদিও বাছাই পর্বে উন্নীত না হতে পেরে আয়ারল্যান্ড এবারের বিশ্বকাপে নেই। তারা না থাকলেও তাদের মাঠে পেস কন্ডিশনে খেলা এতো সহজ হবে না বাংলাদেশের জন্য। তাছাড়া ক্যারিবীয় বোলারদের বিপক্ষে খেলে বাড়তি প্রস্তুতির সুযোগ তো থাকছেই।

ABOUT US

এটি একটি অনলাইন খবরের তথ্য ভান্ডার। যা কুষ্টিয়াকে সমৃদ্ধ করতে তথ্য নির্দেশ করে।

This is a online news portal.
Which contain directory of enriched kushtia.